Rahul attacks Mamata-Modi: 'আমায় ৫৫ ঘণ্টা জেরা, ৩৬ মামলা, মমতাকে কত ঘণ্টা জেরা করেছেন মোদী?' নিশানা রাহুলের
Rahul attacks Mamata-Modi: 'আমায় ৫৫ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে।, ৩৬টি মামলা করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কত ঘণ্টা জেরা করেছেন নরেন্দ্র মোদী?' নিশানা করলেন রাহুল গান্ধী।
Rahul attacks Mamata-Modi: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী আবহে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বেনজির আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ক। হুগলির শ্রীরামপুরের জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, বিজেপির বিরুদ্ধে দেশের একমাত্র আপসহীনভাবে লড়াই লড়ছে কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিজেপির সরাসরি কোনও বিরোধ নেই বলেই তাঁর দাবি। সেই রেশ ধরে রাহুল দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা করা হয়েছে। টানা পাঁচদিন ধরে ৫৫ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে। কিন্তু মমতার বিরুদ্ধে কোনও মামলা করা হয়নি। সেইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘মমতাজির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিরুদ্ধে কতগুলি মামলা করেছেন মোদীজি (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী)? কত ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে মমতাজিকে?’

''মমতাজির বিরুদ্ধে ক'টি মামলা করেছেন মোদীজি?'
রাহুল গান্ধী নিজের বক্তব্যে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাঁকে চড়া মাশুল দিতে হয়েছে। লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সরকারি বাসস্থান। তাঁকে টানা পাঁচদিন ধরে প্রায় ৫৫ ঘণ্টা জেরা করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে ভারতজুড়ে ৩৬টি মামলা চলছে, যার জন্য তাঁকে ঝাড়খণ্ড থেকে মহারাষ্ট্র— সব জায়গায় হাজিরা দিতে হয়। এরপরই তিনি সরাসরি মমতার দিকে প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, 'মমতাজির বিরুদ্ধে ক'টি মামলা করেছেন মোদীজি? তাঁকে কত ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে?'
আরও পড়ুন: Police observers: কড়া প্রহরায় হেভিওয়েট লড়াই! রাজ্যে আরও ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষণ নিয়োগ নির্বাচন কমিশনের
ভোটের সময় ‘ছায়া যুদ্ধ’, নেপথ্যে বন্ধুত্ব?
রাহুলের দাবি, মোদী এবং মমতার মধ্যে যে বিরোধ দেখা যায়, তা আসলে সাময়িক এবং লোকদেখানো। তিনি অভিযোগ করেন, মোদী ২৪ ঘণ্টা কেবল রাহুল, মল্লিকার্জুন খাড়্গেজি এবং কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন। মমতাকে আক্রমণ করা হয় কেবল নির্বাচনের সময়, স্রেফ ভোট টানার কৌশলে। নির্বাচন মিটে গেলেই মোদী আর মমতাকে নিয়ে কোনও কথা বলেন না।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে রাহুল দাবি করেন, পুরো বিষয়টির নেপথ্যে রয়েছে ‘নীতির লড়াই’। তাঁর দাবি, তৃণমূল নেত্রী বিজেপির সঙ্গে সরাসরি বা আদর্শগত লড়াইয়ে নেই। বরং কংগ্রেসই একমাত্র শক্তি, যারা আরএসএসের আদর্শের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছে।
বাংলার ভোটারদের প্রতি আহ্বান
বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসকে শক্তিশালী করার ডাক দিয়ে রাহুল বলেন, বিজেপি ও আরএসএস-কে রুখতে হলে কংগ্রেস ছাড়া বিকল্প নেই। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং সংবিধান রক্ষায় একমাত্র কংগ্রেসই দীর্ঘমেয়াদী লড়াই চালাচ্ছে। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে বা লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীদের জয়ী করার মাধ্যমেই মোদী, অমিত শাহদের দাপট কমানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


