Abhishek-Sayani Flat: স্বামী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, স্ত্রী সায়নী ঘোষ- চর্চিত ১৯ ডি সেভেন ট্যাঙ্ক লেনের ফ্ল্যাটে গিয়ে পুর আধিকারিকরা এমনই দেখেছেন বলে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হল। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন বাংলার রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার ওই ফ্ল্যাটে যান পুর আধিকারিকরা। দরজায় বড়-বড় 'অভি-সানি' লেখাও দেখতে পান। পরে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে এসে এক ব্যক্তি জানান, তাঁর নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। আর স্ত্রী'র নাম হল সায়নী ঘোষ। তিনি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তাঁদের সঙ্গে দূর-দূরান্ত দিয়েও রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ছোটো পরিবার নিয়ে তাঁরা ওই ফ্ল্যাটে থাকেন বলে অভিষেক জানিয়েছেন।
চূড়ান্ত বিরক্তিপ্রকাশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কিন্তু আচমকা তাঁদের ফ্ল্যাট নিয়ে যে অহেতুক আলোচনা শুরু হয়েছে, তা নিয়ে চূড়ান্ত বিরক্তিপ্রকাশ করেছেন অভিষেক। তিনি জানিয়েছেন, বছরচারেক ধরে ওই ফ্ল্যাটে থাকছেন। কিন্তু দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নামের সঙ্গে মিল থাকায় যে ঝঞ্জাটের মুখে পড়তে হচ্ছে, সেটা চূড়ান্ত বিরক্তিকর। অতীতেও পুর আধিকারিকরা তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন। সবরকম সহযোগিতা করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক।
তৃণমূলের অভিষেক ও সায়নীর নাম জুড়ে হইচই
আর সেই ফ্ল্যাট নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে গত কয়েকদিন ধরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবিতে দাবি করা হয় যে ওই ঠিকানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সায়নী ঘোষের নামে যৌথ মালিকানার ফ্ল্যাট আছে। সেটার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষের নাম যুক্ত করে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: Vande Mataram in WB Madrasa: মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাইতেই হবে! নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের
চরম ক্ষোভপ্রকাশ যাদবপুরের সাংসদের
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Vande Mataram in WB Madrasa: মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ গাইতেই হবে! নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের
চরম ক্ষোভপ্রকাশ যাদবপুরের সাংসদের
{{/usCountry}}পুরো ঘটনায় চূড়ান্ত ক্ষোভপ্রকাশ করেন যাদবপুরের সাংসদ। তিনি বলেন, কয়েকটি ফরোয়ার্ড করা মেসেজ পেলাম, যেখানে জনৈক অভিষেক ব্যানার্জি এবং সায়নী ঘোষের ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্কস রোড, কলকাতা ৭০০০৩০ ঠিকানায় যৌথ সম্পত্তির উল্লেখ করা আছে। কোনও মোবাইল নম্বর ছাড়াই এবং প্রেমিসেসের বানানও ভুল। আমি জানি না এই সায়নী ঘোষ কে? তবে এটা নিশ্চিত, যে সায়নী ঘোষ একটি সাধারণ পরিশীলিত মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছে, যে কোনও রাজনৈতিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে আজ পর্যন্ত কোনওরকম সম্পত্তির অধিকারী হয়নি, সে নয়।
সেইসঙ্গে যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ বলেন, 'আমি আমার কেন্দ্রের সমস্ত ভোটারদের এবং রাজ্যর সকল মানুষকে বলতে চাই, লোকসভা নির্বাচনের সময় আমার ঘোষিত এফিডেভিটে আমার আর্থিক অবস্থানের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখার জন্য। আপনারা অনায়াসেই সেই রেকর্ড দেখে নিতে পারেন। সেইসঙ্গে যাঁরা কোনওরকম তথ্যপ্রমাণ ছাড়া আমার মানহানি করার এই খেলা শুরু করেছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে বলি, খেলাটি এই মুহূর্তে বন্ধ করুন। অনুগ্রহ করে জেনে রাখুন এই মিথ্যা অপবাদের সামনে আমি কোনওভাবেই নতিস্বীকার করব না এবং মিথ্যা খবর ছড়ানোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘোষ কোনও অন্যায় অপবাদের শিকার হয়ে, ভয় পেয়ে গুটিয়ে যেতে আসেনি।'