...
...
Next Story

Mamata Resignation Row: 'আমায় বরখাস্ত করুক, সেটা কালো দিন হবে', পদত্যাগে নারাজ মমতা, বললেন ‘রেকর্ড……’

Mamata Banerjee Resignation Row: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, প্রয়োজনে বরখাস্ত করে দিক, তাতেও রাজি আছেন। মমতার কথায়, ‘আমায় বরখাস্ত করুক, সেটা কালো দিন হবে।’

Published on: May 6, 2026, 19:44:21 IST
Advertisement

Mamata Resignation Row: বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে ৪৮ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং বুধবার কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোর বাসভবনের বৈঠকে মমতা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে লোকভবনে গিয়ে ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সূত্রের খবর, মমতা বলেন যে লোকভবনে গিয়ে পদত্যাগ করবেন না তিনি। রাজ্যের রাষ্ট্রপতি শাসন কার্যকর হলে সেটাই হোক। রেকর্ড হয়ে থাকুক সেটা। বরখাস্ত করে দিক। আর সেই দিনটি ইতিহাসে একটি 'কালো দিন' হিসেবে নথিভুক্ত হয়ে থাকুক বলে দাবি করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

নৈতিক জয় হয়েছে, তাই ইস্তফা হয়, জানান মমতা

কালীঘাটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে তৃণমূল কংগ্রেস)
কালীঘাটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে তৃণমূল কংগ্রেস)

আর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে লোকভবনে গিয়ে যে ইস্তফা দেবেন না, তা মঙ্গলবারই জানিয়ে দেন মমতা। মঙ্গলবার তিনি বলেন, ‘কেন, কীসের জন্য? আমরা তো হারিনি যে যাব। হারলে আমি যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে আমি রেজিগশনটা করতাম। এখন তো কোয়েশ্চেন ডাস নট অ্যারাইজ। জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমি গিয়ে রেজিগশনটা দিতে হবে - নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।’

আরও পড়ুন: Mamata-Abhishek security withdrawal: নিয়মের বাইরে গিয়ে বাড়তি নিরাপত্তা ছিল, মমতা ও অভিষেকের ‘সুরক্ষা’ কমানো নিয়ে DGP

মমতা পদত্যাগ না করলে কী হবে?

এমনিতে মুখ্যমন্ত্রী যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করেন, তবে কি রাজ্যপাল তাঁকে বরখাস্ত করতে পারেন? নিয়ম ঠিক কী বলছে? প্রথমত, রাজভবন থেকে একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে রাজ্যপাল সরাসরি সরকারকে বরখাস্ত করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, রাজ্যপাল সরাসরি বরখাস্ত না করে মুখ্যমন্ত্রীকে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকার নির্দেশ দিতে পারেন। সেখানে যদি সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয় (যা বর্তমান নির্বাচনী ফলের নিরিখে নিশ্চিত), তবে ইস্তফা দেওয়া ছাড়া আর কোনও পথ খোলা থাকবে না।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী পরাজিত হওয়ার পর পদত্যাগ না করা মানেই রাজ্যে একটি ‘সাংবিধানিক অচলাবস্থা’ তৈরি হওয়া। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল সংবিধানের ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ পাঠাতে পারেন। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়া মানেই রাজ্যের সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে চলে যাওয়া এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদের বিলুপ্তি ঘটা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe