Chickens Neck Triangular Security Grid: চিকেনস নেকে ত্রিভুজাকৃতি 'সিকিউরিটি গ্রিড'! বাংলা-সহ ৩ রাজ্য নিয়ে মেগা পরিকল্পনা
Chickens Neck Triangular Security Grid: চিকেনস নেক তথা শিলিগুড়ি করিডর নিয়ে মেগা পরিকল্পনা করল কেন্দ্রীয় সরকার। বিশেষ ‘ত্রিকোণ নিরাপত্তা বলয়’ বা ‘ট্রায়াঙ্গুলার সিকিউরিটি গ্রিড’ তৈরির ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
Chickens Neck Triangular Security Grid: ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ‘শিলিগুড়ি করিডর’ বা ‘চিকেনস নেক’-র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কেন্দ্র। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগের একমাত্র এই স্থলপথটির সার্বিক সুরক্ষায় গড়ে তোলা হচ্ছে একটি বিশেষ ‘ত্রিকোণ নিরাপত্তা বলয়’ বা ‘ট্রায়াঙ্গুলার সিকিউরিটি গ্রিড’। শিলিগুড়িতে সশস্ত্র সীমা বলের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার হেডকোয়ার্টারে এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন।

কি এই ‘ত্রিকোণ নিরাপত্তা বলয়’?
শিলিগুড়ি করিডর নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটি ভারতের সবচেয়ে স্পর্শকাতর এলাকাগুলির অন্যতম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের জাতীয় সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলে নতুন গ্যারিসন গড়ে তুলে এই প্রতিরক্ষামূলক ত্রিভুজ গ্রিড তৈরি করা হয়েছে। এই তিনটি পয়েন্ট হল -
১) ধুবড়ি (অসম)
২) কিষাণগঞ্জ (বিহার)
৩) চোপড়া (পশ্চিমবঙ্গ)
এই তিনটি সামরিক ঘাঁটি সমন্বিত সিকিউরিটি গ্রিড সক্রিয় হলে পুরো শিলিগুড়ি করিডর এলাকার নজরদারি ক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের সামরিক প্রস্তুতি বজায় রাখতে 'তিস্তা প্রহার'-এর মতো বিশেষ সামরিক মহড়াও অব্যাহত রাখা হয়েছে।
সীমান্ত জমি সমস্যা সমাধান ও BSF-SSB প্রসঙ্গ
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত নিরাপত্তা মজবুত করতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ এবং এসএসবিকে ১,১২৯ একর জমি হস্তান্তর করেছে।
আরও পড়ুন: Govt on Sugar Prices Drop: চিনির দাম কবে কমবে? ইথানলকে ‘ক্লিনচিট’ দিয়ে মুখ খুলল কেন্দ্র!
বকেয়া ২৯ একর জমিও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্তরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করা না গেলে রাজ্যের পূর্ণ সুরক্ষা সম্ভব নয়। সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা বিএসএফ বা এসএসবির মতো বাহিনীকে যে কোনও রাজনৈতিক মতভেদের উর্ধ্বে রাখা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


