Govt on Sugar Prices Drop: চিনির দাম কবে কমবে? ইথানলকে ‘ক্লিনচিট’ দিয়ে মুখ খুলল কেন্দ্র!
Govt on Sugar Prices Drop: গত কয়েকদিনে একলপ্তে বেড়ে গিয়েছে চিনির দাম। যে দামটা কয়েকদিন আগেই ৫০ টাকার কোঠায় ছিল, তা বেড়ে ৭০ টাকায় পৌঁছে গিয়েছে। সেই আবহে ইথানল নিয়েও হইচই শুরু হয়েছিল। তবে ইথানলকে ক্লিনচিট দিল কেন্দ্রীয় সরকার।
Govt on Sugar Prices Drop: চিনির দাম বৃদ্ধির জন্য ইথানল কোনওভাবেই দায়ী নয় বলে দাবি করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার কেন্দ্রীয় খাদ্যসচিব সঞ্জীব চোপড়া দাবি করেছেন, ইথানল উৎপাদনের কারণে চিনির দাম বাড়ছে বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা একেবারেই ঠিক নয়। বরং দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত চিনির ভান্ডার থাকা সত্ত্বেও দাম বৃদ্ধির জন্য একটি অংশের বেআইনি মজুতদারিকে দায়ী করেছে কেন্দ্রীয় খাদ্যসচিব।

রাজ্যগুলিকে কড়া নির্দেশ ও একগুচ্ছ পরিকল্পনা
সেই রেশ ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে চিনির বেআইনি মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি চিনিকলগুলিতে মাড়াইয়ের মরশুম এগিয়ে এনে যাতে আগামী ১৫ অক্টোবর নাগাদ শুরু করা যায়, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে ডিলাররা সর্বোচ্চ কত পরিমাণ চিনি মজুত রাখতে পারবেন, সেই সীমা কমিয়ে আনার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
উৎপাদন কম হলেও চাহিদার থেকে জোগান বেশিই
কেন্দ্রীয় খাদ্যসচিব জানিয়েছেন, মূলত আখ খেতে পোকামাকড় ও রোগের উপদ্রব এবং অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে উৎপাদন কিছুটা কমে গেলেও দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে চিনি মজুত আছে। প্রাথমিকভাবে অনুমদান করা হয়েছিল যে ২০২৫-২৬ সালে ৩৪৩ লাখ টন চিনি উৎপাদিত হবে। তবে সেটা কমে ঠেকেছে ৩০৬ টনে। সেটাও বার্ষিক চাহিদার থেকে কম। তাও নেহাতই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১০ লাখ টন চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ডিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের চিনি মজুত রাখার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।
তাঁর মতে, সরকার যে পদক্ষেপ করছে, তাতে আগামিদিনে খুচরো বাজারে চিনির দাম কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যিনি শুক্রবারই ইন্ডিয়ান সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশন এবং ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ কো-অপারেটিভ সুগার ফ্যাক্টরিসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি বলেছেন, 'আমরা সবসময়ই চিনি শিল্পকে সহায়তা করে আসছি। আমরা প্রত্যাশা করি যে, তারা দেশের মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী কোনও পরিস্থিতির সুযোগ নেবে না।'
কলকাতা ও বাংলায় চিনির দাম ৭০ টাকা পেরিয়েছে
আর তিনি যখন সেই মন্তব্য করেছেন, তখন লাফিয়ে বেড়েছে চিনির দাম। কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে এক কেজি চিনির দাম ৭০ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, মেরেকেটে এক মাসে প্রতি কেজির দাম বেড়েছে ২০ টাকার মতো। আর গত চার-পাঁচদিনে তো একধাক্কায় ১০ শতাংশের মতো দাম বেড়ে গিয়েছে চিনির।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


