...
...
Next Story

ISKCON Mid Day Meal Menu in Kolkata: ২ দিন ডিম, মিড ডে মিল কর্মীদের কাজ থাকছে! ঘোষণা শুভেন্দুর, ইসকনের মেনুতে কী কী?

ISKCON Mid Day Meal Menu in Kolkata: তারাতলা থেকে ইসকন অন্নদাতা ফাউন্ডেশনের 'মিড ডে মিল' কর্মসূচির সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতার সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলের মিড ডে মিল দেবে ইসকন।

Published on: Aug 1, 2026, 13:58:04 IST
Advertisement

ISKCON Mid Day Meal Menu in Kolkata: কলকাতার স্কুলে সপ্তাহে দু'দিন ডিম দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরীক্ষামূলকভাবে কলকাতার সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলের মিড ডে মিলের যে দায়িত্ব ইসকনের হাতে দেওয়া হয়েছে, আজ সেই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। আর সেই উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে ‘সমালোচকদের’ জোড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ইসকনের সঙ্গে রাজ্যের কী চুক্তি হয়েছে, তা না দেখেই ‘প্রথম থেকেই আন্ডা-আন্ডা করে মিছিল করে ফেললেন’। কিন্তু পড়ুয়াদের পাত থেকে ডিম বাদ পড়ছে না। ইসকন সাত্ত্বিক খাবার দেবে। আর স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে রাজ্যের তরফে প্রতি সপ্তাহে দু'দিন পড়ুয়াদের আলাদা করে ডিম দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মিড ডে মিল কর্মীদের চাকরি যাচ্ছে না, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতার স্কুলে ইসকনের মাধ্যমে মিড ডে মিল দেওয়া হবে। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
কলকাতার স্কুলে ইসকনের মাধ্যমে মিড ডে মিল দেওয়া হবে। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কলকাতার সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলের মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে দেওয়া হলেও এতদিন ওই কাজে নিযুক্ত থাকা কর্মীদের কোনও সমস্যা হবে না। তাঁরা কর্মচ্যুত হবে বলে মিছিল বের করা হলেও বাস্তবের ছবিটা অন্য। ইসকনের মিড ডে মিলের কাজেই তাঁদের যুক্ত করে নেওয়া হবে। কাউকে যুক্ত করা হবে রান্নার কাজে। কাউকে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘একজনও রাঁধুনি, মা, বোন কর্মচ্যুত হবেন না।’

আরও পড়ুন: Bengal Census Self-enumeration Update: অনলাইনে জনগণনার ফর্মপূরণ কি বাধ্যতামূলক? নয়তো সরকারি প্রকল্প থেকে নাম কাটা যাবে?

ইসকনের মিড ডে মিলের মেনুতে কী কী থাকছে?

১) ভাত বা খিচুড়ি বা পোলাও

২) ছানা বা পনির

৩) সয়াবনি বা মরশুমি সবজি বা বাদাম

আরও পড়ুন: Bengal Govt Health Scheme Rules: কারা কারা 'মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’-রও সুযোগ পাবেন না? শর্ত জানাল রাজ্য

পরবর্তী ৩ মাসে ২.৫ লাখ পড়ুয়াকে ইসকনের মিড ডে মিল

তারইমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে কলকাতার ৫০০টি স্কুলের ৪৪,০০০ পড়ুয়ার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে ইসকনের মিড ডে মিল। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই পরিষেবা সম্প্রসারিত হয়ে আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই রেশ ধরে বিরোধীদের কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে আগামী সোমবার স্কুলে গিয়ে ইসকনের মিড ডে মিল খেয়ে দেখতে পারেন। তাহলেই তাঁরা বুঝতে পারবেন যে কতটা ভালো করা হচ্ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe