Jalpaiguri Road and Haldibari Station: ভুল স্টেশন নয় তো? জলপাইগুড়ি রোড-হলদিবাড়িতে ট্রেন থেকে নামলে এমনই মনে হতে পারে!
Jalpaiguri Road and Haldibari Station: অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অধীনস্থ জলপাইগুড়ি রোড, হলদিবাড়ি এবং মাজরাটের ভোল পালটে গেল। উত্তরবঙ্গের দুই স্টেশনের ছবি একদম পালটে গেল।
Jalpaiguri Road and Haldibari Station: জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে নামলে মনে হবে এটাই জলপাইগুড়ি রোডই তো? আবার হলদিবাড়িতে নামলেও হঠাৎ করে ঘাবড়ে যেতে পারেন যে ঠিক স্টেশনে নেমেছেন তো? কারণ অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অধীনস্থ জলপাইগুড়ি রোড এবং হলদিবাড়ি। সবমিলিয়ে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অধীনস্থ তিনটি স্টেশনকে সম্পূর্ণ নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে - রঙিয়া ডিভিশনের মাজবাট, আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের জলপাইগুড়ি রোড এবং কাটিহার ডিভিশনের হলদিবাড়ি। স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে এই স্টেশনগুলিকে আন্তর্জাতিক মানের যাত্রী-বান্ধব কেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে বলে রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে।

কত টাকা খরচ করা হয়েছে?
রেল সূত্রে খবর, এই তিনটি স্টেশনের আধুনিকীকরণের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয় করা হয়েছে। অসমের মাজবাট স্টেশনের পুনর্বিকাশে ব্যয় হয়েছে ১০.১৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি রোড রেলওয়ে স্টেশন সাজিয়ে তুলতে ৩৪.৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। হলদিবাড়ি স্টেশনের ভোল পালটাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৬ কোটি টাকা। প্রতিটি স্টেশনকে তার নিজস্ব আঞ্চলিক ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, সংস্কৃতি এবং যাত্রী চলাচলের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Kolkata Night Bus Services: কলকাতায় রাতেও চলবে সরকারি বাস! ‘নাইট সার্ভিস’ ফেরানোর তোড়জোড় রাজ্যের
নবরূপে সজ্জিত স্টেশনের কী কী বৈশিষ্ট্য আছে?
১) নান্দনিক স্টেশন ভবন: স্টেশন চত্বরে প্রবেশ করলেই এখন চোখ জুড়িয়ে যাবে। ভবনগুলির সম্মুখভাগ স্থানীয় স্থাপত্যশৈলীর আদলে তৈরি করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে সবুজের ছোঁয়া।
২) উন্নত চলাচল পরিসর ও প্রশস্ত ওয়েটিং রুম: যাত্রীদের হুড়োহুড়ি এড়াতে স্টেশন চত্বরে যাতায়াতের পথ অনেক প্রশস্ত করা হয়েছে। ট্রেন ধরার জন্য অপেক্ষার সময়টুকু আরামদায়ক করতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এক্সিকিউটিভ ওয়েটিং লাউঞ্জ তৈরি করা হয়েছে।
৩) প্ল্যাটফর্ম ও ফুট ওভারব্রিজ: প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে এবং উন্নত শেড ও আধুনিক মেঝে তৈরি করা হয়েছে। এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে সহজে যাতায়াতের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী লিফট-সহ আধুনিক ফুট ওভারব্রিজ স্থাপন করা হয়েছে।
৪) বিশেষভাবে সক্ষম ও প্রবীণদের বিশেষ সুবিধা: বিশেষভাবে সক্ষম এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্টেশনে সহজে যাতায়াতের র্যাম্প, বিশেষ শৌচাগার এবং ব্রেইল সাইনেজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে তাঁরা কারও সাহায্য ছাড়াই যাতায়াত করতে পারেন।
৫) ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থা ও আলোকসজ্জা: ট্রেন চলাচল সংক্রান্ত সঠিক ও দ্রুত তথ্যের জন্য আধুনিক ডিসপ্লে বোর্ড এবং উন্নত অডিও অ্যানাউন্সমেন্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে। রাতের বেলা স্টেশনগুলিকে নিরাপদ ও দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যবহার করা হয়েছে এলইডি আলোকসজ্জা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


