Kalyan on Mamata's premises CID raid: 'শুভেন্দুর চটি চাটছে', মমতার দুয়ারে CID যেতেই তোপ কল্যাণের, বললেন ‘এই বুদ্ধি…’
Kalyan on Mamata's premises CID raid: শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মঙ্গলবার খোদ মমতার কালীঘাটের বাসভবন সংলগ্ন তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালায় রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি।
Kalyan on Mamata's premises CID raid: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে সিআইডি পৌঁছাতেই শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় জাল সই মামলায় মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি লাগোয়া তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন সিআইডি আধিকারিকরা। তা নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ‘চটি চাটছে’ সব। শুভেন্দু চূড়ান্তভাবে প্রতিহিংসাপরায়ণ এবং হিংসাত্মক হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সেইসঙ্গে সিআইডিকে কটাক্ষ করে কল্যাণ বলেন যে তদন্তকারী সংস্থার বুদ্ধির এই নমুনা? যেখানে বৈঠক হয়েছে, সেখানে রেজোলিউশন কপি রেখে দেওয়া হয় নাকি?

দুপুরে মমতার বাসভবন লাগোয়া TMC অফিসে CID
এমনিতে মঙ্গলবার মঙ্গলবার খোদ মমতার কালীঘাটের বাসভবন সংলগ্ন তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে একযোগে তল্লাশি চালায় রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি। দুপুর তিনটে নাগাদ কালীঘাটের ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের কার্যালয়ে বিশাল মহিলা পুলিশ ও স্থানীয় থানার বাহিনী নিয়ে পৌঁছান তদন্তকারীরা।
টানাপোড়েন, তারপর CID-র প্রবেশ
শুরুতে তীব্র বাধা দেন তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। তিনি দাবি করেন, অভিষেকের অনুপস্থিতিতে কোনও তল্লাশি চালাতে দেওয়া হবে না এবং ৪৮ ঘণ্টা সময় চান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিআইডি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডেকে আনে। পরে কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা এসে নিরাপত্তারক্ষীদের বাধা না দেওয়ার নির্দেশ দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে চলে কালীঘাটের তল্লাশি।
তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, গত ৬ মে এই কার্যালয়ে তৃণমূলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছিল।সেই বৈঠকের রেজোলিউশন বুক এবং বিধায়কের উপস্থিতির স্বাক্ষর সংবলিত মূল নথির খোঁজে এই তল্লাশি চালানো হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এই রেজোলিউশনের ওপর ভিত্তি করেই গত ৯ মে বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে অভিষেক জানান যে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্য সচেতক বেছে নেওয়া হয়েছে।
অভিষেকের অফিসেও তল্লাশি CID-র
অন্যদিকে, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসেও দরজা বন্ধ করে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কর্মীদের বিরুদ্ধে। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা তল্লাশি চালানো হয়। তবে দুটি জায়গা থেকেই কোনও বড়সড় জিনিস বাজেয়াপ্ত করা যায়নি বলে সিআইডির এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


