Kolkata drainge system: জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে মধ্য ও উত্তর কলকাতা! ২০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প হবে

জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে মধ্য ও উত্তর কলকাতার বিস্তীর্ণ অংশ! সেই লক্ষ্যে ২০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নিল কলকাতা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। লাভবান হবেন আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের মতো কলকাতার একাধিক গুরুত্ব এলাকার মানুষ।

Published on: Feb 15, 2026, 21:46:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

মধ্য ও উত্তর কলকাতার জলযন্ত্রণা দূর করতে ২০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প শুরু করতে চলেছে পুরনিগম। সূত্রের খবর, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের যে বাজেট তৈরি করা হয়েছে কলকাতা পুরনিগমে, তাতে মধ্য ও উত্তর কলকাতার বড় অংশের জলযন্ত্রণা কাটাতে ২০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের একটি প্রকল্প শুরুর কথা বলা হয়েছে। সেই প্রকল্পের আওতায় আর্মহাস্ট স্ট্রিটে একটি পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হবে। সেইসঙ্গে মৌলালি থেকে পালমার ব্রিজ পর্যন্ত ১৪৮ বছরের যে পুরনো নিকাশি লাইন গিয়েছে, সেটিকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। পালমার ব্রিজ পাম্পিং স্টেশনে দুটি পাম্প বসানো হবে। অতিরিক্ত জল বের করার জন্য আরও কয়েকটি উচ্চক্ষমতার পাম্প বসানোর কথা ভেবেছে পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। আর সেই মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে কলকাতার ৩০টি ওয়ার্ডের কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

কলকাতার একাংশকে জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ২০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)
কলকাতার একাংশকে জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ২০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা

এমনিতে প্রতি বছর বৃষ্টি হলেই মধ্য ও উত্তর কলকাতার বিস্তীর্ণ অংশে জল দাঁড়িয়ে যায়। কোথাও কোমরে পেরিয়ে যায় জল। কোথাও আবার হাঁটু-সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের মতো কলকাতার একাধিক গুরুত্ব এলাকায় প্রতি বছর ছবিটা একই থাকে। জল নামতেও সময় লাগে। প্রতি বছর বর্ষার সময় ছবিটা কার্যত এক থাকে।

আরও পড়ুন: US Company in Kolkata: বাংলার স্টার্ট-আপের সঙ্গে কাজ করতে চায় US-র সংস্থা, কলকাতায় আরও ১ অফিসের লক্ষ্য

২০২৫ সালের পুজোর আগে ভয়ংকর অবস্থা হয়েছিল

বিশেষত গত বছর পুুজোর ঠিক আগে যখন কলকাতায় ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছিল, তখন তো ভয়াবহ অবস্থা হয়েছিল। প্রশাসনের তরফে এক রাতে ব্যাপক বৃষ্টির কথা হলেও প্রশ্নচিহ্ন উঠে গিয়েছিল কলকাতার নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে। জলযন্ত্রণায় নরকে পরিণত হয়েছিল সাধারণ মানুষের জীবন।সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মেগা প্রকল্পে হাত দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কলকাতা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: Howrah-Mumbai Train Line: ৫ টানেল, ২৩৭ ব্রিজ- ১০১৫৪ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে হাওড়া-মুম্বই লাইনে আসবে প্রাণ

কোন কোন এলাকার মানুষ লাভবান হবেন?

সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, যদি সবকিছু ঠিকঠাক হয়, তাহলে মেগা প্রকল্পের ফলে আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, লেনিন সরণি, রিপন স্ট্রিট, এপিসি রায় রোড, বিধান সরণি, এজেসি বোস রোড, পার্কস্ট্রিটের মতো বিভিন্ন এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন। যা কলকাতার ইতিহাসে অন্যতম বড় নিকাশি প্রকল্প হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন: SSC Class XII-XII Teachers Counselling: SSC একাদশ-দ্বাদশের কাউন্সেলিং বিজ্ঞপ্তি কবে? এই মার্চেই সিলমোহর পড়বে চাকরিতে!

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More