Motor Sports Academy in Kolkata: বাংলার প্রথম ‘মোটর স্পোর্টস অ্যাকাডেমি’-র সূচনা কলকাতায়! কোথায় কোথায় আছে?
গতির নেশা আর রোমাঞ্চের মেলবন্ধন এবার কলকাতায়। এতদিন যাঁরা টেলিভিশনের পর্দায় ফর্মুলা ওয়ান বা পাহাড়ি রাস্তায় ৪x৪ গাড়ির রুদ্ধশ্বাস র্যালি দেখেছেন, তাঁদের জন্য সুখবর। কলকাতার বুকে প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করল অত্যাধুনিক ‘মোটর স্পোর্টস অ্যাকাডেমি’।
গতির নেশা আর রোমাঞ্চের মেলবন্ধন এবার কলকাতায়। এতদিন যাঁরা টেলিভিশনের পর্দায় ফর্মুলা ওয়ান বা পাহাড়ি রাস্তায় ৪x৪ গাড়ির রুদ্ধশ্বাস র্যালি দেখেছেন, তাঁদের জন্য সুখবর। কলকাতার বুকে প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করল অত্যাধুনিক ‘মোটর স্পোর্টস অ্যাকাডেমি’। শনিবার দক্ষিণ কলকাতার ক্যালকাটা সাউথ ক্লাবে সেই ঘোষণা করল ‘আমুজি স্পোর্টস টেক ইকোসিস্টেম’।

কোথায় কোথায় হচ্ছে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র?
আমুজি স্পোর্টসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট জায়গায় নয়, বরং কলকাতার তিন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকবে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি। মূলত জোকা, উত্তর কলকাতা এবং ময়দান এলাকায় এই ট্রেনিং সেন্টারগুলি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে অ্যাডভেঞ্চার বাইক রাইডিং থেকে শুরু করে ৪x৪ কার র্যালি - সব ধরনের পেশাদার প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা থাকছে।
বিশেজ্ঞের চোখে ভবিষ্যতের লক্ষ্য
শনিবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রখ্যাত মোটর স্পোর্টস ব্যক্তিত্ব উদয় গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি আক্ষেপের সুরে জানান, ভারতে ক্রিকেট বা ফুটবলের মতো মোটর স্পোর্টসকে এখনও সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তাঁর কথায়, ‘ভারতে মোটর স্পোর্টস নিয়ে সচেতনতা খুব কম। মানুষ এটাকে এখনও ঠিকভাবে খেলার মর্যাদা দিতে দ্বিধাবোধ করেন।’ তিনি আরও যোগ করেন যে, রাস্তায় বেপরোয়াভাবে গাড়ি না চালিয়ে, উৎসাহী তরুণ প্রজন্মের উচিত এই ধরনের অ্যাকাডেমিতে এসে পেশাদার প্রশিক্ষণ নেওয়া।
আরও পড়ুন: Cricket Unique Record: ৪২ ছক্কায় ১৩৭ বলে অপরাজিত ৪০২ রান- বাবার সঙ্গে ৫৯০ রানের জুটি গড়লেন ছেলে!
প্রযুক্তির ছোঁয়া ও AI-র ব্যবহার
আমুজি স্পোর্টস শুধুমাত্র একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়, তারা একে একটি ডিজিটাল বিপ্লব হিসেবে দেখছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স আরও উন্নত করতে তারা এআই-চালিত ট্রেনিং সিস্টেম ব্যবহার করবে। স্মার্ট স্পোর্টস ফেসিলিটির মাধ্যমে চালকদের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ভুলগুলি ধরিয়ে দিয়ে তাঁদের বিশ্বমানের প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য এই সংস্থার।
ভারতের প্রথম স্পোর্টস ওটিটি প্ল্যাটফর্ম
সেইসঙ্গে আমুজি স্পোর্টসের ডিরেক্টর রাজীব ঘোষ ঘোষণা করেন, ‘আমরা ভারতের প্রথম ডেডিকেটেড স্পোর্টস ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্ম এবং টিভি চ্যানেল চালু করতে চলেছি। যেখানে শুধুমাত্র খেলাধুলা এবং তার সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে।’ এর ফলে স্থানীয় প্রতিভা এবং ছোটখাটো টুর্নামেন্টগুলিও দেশবাসীর কাছে পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


