Kolkata Metro Operating Ratio: ১০০ টাকা আয় করতে ১৯০ টাকা খরচ কলকাতা মেট্রোর! অথচ ১ বছরে যাত্রী সংখ্যা ২৩.৬ কোটি
Kolkata Metro Operational Ratio: ১০০ টাকা আয় করতে ১৯০ টাকা খরচ হয়েছে কলকাতা মেট্রোর। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের পরিসংখ্যান এটাই। অথচ সেইসময় যাত্রী সংখ্যা ছিল ২৩.৬ কোটি। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এবার যাত্রী সংখ্যা আরও বাড়বে। কমবে অপারেটিং রেশিয়ো।
Kolkata Metro Operating Ratio: এক বছরে কলকাতা মেট্রোয় চড়েছেন ২৩.৬ কোটি যাত্রী। আবার ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ‘অপারেটিং রেশিয়ো’ ১৯০-তে ঠেকেছে বলে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ১০০ টাকা আয় করতে ১৯০ টাকা খরচ করেছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। যা ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ২২১ টাকা ছিল। চলতি অর্থবর্ষে যাত্রী সংখ্যা বাড়লে ‘অপারেশন রেশিয়ো’-র উন্নতি হবে বলে আশা করছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

যাত্রী সংখ্যায় সবথেকে এগিয়ে ব্লু লাইনই
তারইমধ্যে গত অর্থবর্ষে কলকাতা মেট্রোর সিংহভাগ যাত্রীই টেনেছে ব্লু লাইন (নর্থ-সাউথ করিডর বা দক্ষিণেশ্বর-শহিদ ক্ষুদিরাম)। ২৩.৬ কোটির মধ্যেই ব্লু লাইনে যাতায়াত করেছেন ১৭.৯ কোটি যাত্রী। আবার ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে যাত্রী সংখ্যা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ২.৭ কোটি যাত্রী চলাচল করেছিলেন ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয়। আর হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পুরো অংশ জুড়ে যাওয়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.২ কোটি।
তবে ব্লু লাইনে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। আর সেটার নেপথ্যে কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া) মেট্রো স্টেশন থেকে পরিষেবা বন্ধ থাকার বিষয়টি আছে বলে দাবি করেছেন আধিকারিকরা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ১৮.৯ কোটি যাত্রী যাতায়াত করেছিলেন ব্লু লাইনে। কিন্তু গত অর্থবর্ষের প্রায় অধিকাংশ সমযই বন্ধ থেকেছে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন। আপাতত শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত পরিষেবা চালু আছে। আর বছরের ১২ মাসের মধ্যে প্রায় নয় মাসই প্রান্তিক স্টেশন বন্ধ থাকার ফলে যাত্রীর সংখ্যা যে কমবে, সেটা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন আধিকারিকরা।
বাকি ৩ লাইনে যাত্রী সংখ্যা কত?
আর ব্লু লাইনের কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন যে বন্ধ আছে এবং কাজ চলছে, সেটার সঙ্গে অরেঞ্জ লাইনেরও (নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা) যাত্রী সংখ্যা কম হওয়ার যোগ আছে। কলকাতা মেট্রোর ব্লু এবং অরেঞ্জ লাইনের ‘কানেক্টিং’ পয়েন্ট হল নিউ গড়িয়া। কিন্তু ব্লু লাইনের নিউ গড়িয়া বন্ধ থাকায় সেই সংযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে কম সংখ্যক যাত্রী চলাচল করছেন।
তাছাড়া পার্পল লাইনে (জোকা থেকে মাঝেরহাট) যাতায়াত করেছেন ১৫.৩ লাখ যাত্রী। আর গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পরে ইয়েলো লাইনে (নোয়াপাড়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর) ১৩.৬ লাখ যাত্রী চলাচল করেছেন চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত।
কলকাতা মেট্রোর কোন লাইনে দৈনিক যাত্রী সংখ্যা কত?
১) ব্লু লাইন: প্রতিদিন গড়ে ৫ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেছেন।
২) গ্রিন লাইন: রোজ গড়ে ১.৫ লাখ মানুষ যাতায়াত করেছেন।
৩) পার্পল লাইন: দৈনিক গড় যাত্রীর সংখ্যা ৫,০০০।
৪) ইয়েলো লাইন: গড়ে দিনে ৩,০০০ যাত্রী যাতায়াত করেন।
৫) অরেঞ্জ লাইন: দৈনিক যাত্রীর সংখ্যা ১,৫০০ থেকে ২,০০০-র মধ্যে ঘোরাফেরা করে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


