Kolkata Metro-IIT Madras MoU: বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ে IIT-র সঙ্গে মউ কলকাতা মেট্রোর, পালটাবে দেশের গণপরিবহণের ছবি

Kolkata Metro-IIT Madras MoU: বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ে আইআইটি মাদ্রাজের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করল কলকাতা মেট্রো। আর সেই প্রযুক্তির হাত ধরে পুরো ভারতেরই গণপরিবহণের ছবি পালটে যেতে পারে।

Published on: Apr 30, 2026, 19:46:06 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Kolkata Metro-IIT Madras MoU: কলকাতা মেট্রোয় এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দেশের প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক মউ স্বাক্ষর করল কলকাতা মেট্রো। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হল মেট্রো রেল চলাচলের ক্ষেত্রে লিনিয়ার ইন্ডাকশন মোটর (LIM) ভিত্তিক প্রপালশন প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং তার সফল প্রয়োগ নিশ্চিত করা। যে প্রযুক্তির হাত ধরে সার্বিকভাবে ভারতীয় গণপরিবহণ ব্যবস্থার চিত্রটা বদলে যেতে পারে।

আইআইটি মাদ্রাজের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করল কলকাতা মেট্রো। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)
আইআইটি মাদ্রাজের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করল কলকাতা মেট্রো। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)

প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত: কী এই LIM?

সাধারণত মেট্রো কোচগুলোতে ঘূর্ণায়মান মোটরের মাধ্যমে চাকা ঘোরানো হয়। কিন্তু লিনিয়ার ইন্ডাকশন মোটর প্রযুক্তিতে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সাহায্যে সরাসরি রৈখিক গতি তৈরি করা হয়। এর ফলে ট্রেনের চাকা এবং লাইনের মধ্যে ঘর্ষণ অনেক কমে যায়। এই প্রযুক্তি শুধু যে ট্রেনের গতি বাড়াবে তা নয়, বরং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ এবং যান্ত্রিক জটিলতাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে।

আরও পড়ুন: ISC Topper on Lefist Politics: ‘আমি বামপন্থী’, বললেন ISC-তে প্রথম হওয়া বাংলার মেয়ে, পরে যোগ দিতে চান রাজনীতিতে

মউয়ের মূল উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা

১) টেকনিক্যাল সম্ভাবনা: ভারতীয় আবহাওয়া এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিতে এই প্রযুক্তি কতটা কার্যকর হবে, তা খতিয়ে দেখা।

২) খরচ ও স্থায়িত্ব: প্রথাগত প্রযুক্তির তুলনায় এই নতুন প্রযুক্তির লাইফসাইকেল কস্ট বা জীবনচক্রের খরচ কেমন হবে, তার একটি স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করা।

৩) পাইলট প্রজেক্ট: এই প্রকল্পের আওতায় একটি মেট্রো মোটর কোচকে নতুনভাবে সাজানো হবে। যার মাধ্যমে হাতে-কলমে ফিল্ড ট্রায়াল করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: WB Toppers in ISC Exam 2026 Result: ISC পরীক্ষায় দেশে প্রথম বাংলার কমপক্ষে ৩ পড়ুয়া! ২ জনই মেয়ে, ৪০০-তে ৪০০ পেয়েছেন

কলকাতা বা ভারতের অন্যান্য শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় মেট্রো চলাচলের সময় অনেক ক্ষেত্রে খুব সরু বাঁক বা খাড়াই রাস্তা সামলাতে হয়। LIM প্রযুক্তি এই কঠিন পরিস্থিতিগুলোতে কতটা সাবলীলভাবে কাজ করে, তা যাচাই করাই এই গবেষণার প্রধান লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: WB school shines in ISC-ICSE Result: ISC-তে দেশে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও ICSE-তে তৃতীয় ২ জন- ঝড় তুলল পানিহাটির স্কুল

দেশীয় প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরতা

এই উদ্যোগের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হল 'মেক ইন ইন্ডিয়া' বা আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিফলন। বিদেশের ওপর নির্ভর না করে দেশের মাটিতেই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ ঘটানোই এই প্রকল্পের মূল ভিত্তি। এটি সফল হলে ভারত উন্নত বিশ্বের সারিতে দাঁড়িয়ে নিজস্ব প্রযুক্তিতে মেট্রো রেল পরিষেবা দিতে সক্ষম হবে। আইআইটি মাদ্রাজের গবেষক দল এবং কলকাতা মেট্রোর অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের এই সমন্বয় আগামিদিনে ভারতের নগরোন্নয়নে এক মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More