Kolkata Shuttle Bus Services: কলকাতায় শাটল বাস শুরু করছে ২ সংস্থা! ছোটো গাড়ির জন্যও বড় ঘোষণা পুলিশের
উবার শাটলের বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলেও দুটি নয়া সংস্থা নামতে চলেছে ময়দানে। উবার শাটলের বাস পরিষেবা গুটিয়ে যাওয়ার পর থেকে নিত্যযাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছিল। তবে সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই ময়দানে নামাচ্ছে দুটি নতুন অ্যাগ্রিগেটর সংস্থা।
উবার শাটলের বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তাতে কিছুটা কমতে চলেছে কলকাতার অফিস যাত্রীদের মনে। উবার শাটলের বাস পরিষেবা গুটিয়ে যাওয়ার পর থেকে নিত্যযাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছিল। তবে সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহ থেকেই ময়দানে নামাচ্ছে দুটি নতুন অ্যাগ্রিগেটর সংস্থা। সেইসঙ্গে কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, ১৪ আসনের যে এসইউভিউ গাড়িগুলি শাটল হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সেগুলিকে এজেসি বোস রোড ফ্লাইওভার এবং মা ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে দেওয়া হবে।

আসলে সরকারি বাসের অভাবের জেরে গত কয়েক মাসে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং নিউ টাউন এলাকায় আইটি সেক্টরের যাত্রীদের যাতায়াতের লাইফলাইন হয়ে দাঁড়িয়েছিল উবার শাটলের বাস পরিষেবা। কিন্তু আচমকা সেই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই যাত্রীদের মাথায় হাত পড়েছে। বেহালা চৌরাস্তা, হাওড়া, শিবপুর, যাদবপুরের মতো বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং নিউ টাউনের অফিসে যেতে ঘাম ছুটে যাচ্ছে নিত্যযাত্রীদের।
ময়দানে নামছে নতুন দুই অ্যাগ্রিগেটর সংস্থা
সেই পরিস্থিতিতে দুটি নতুন অ্যাগ্রিগেটর সংস্থাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই এই সংস্থাগুলি তাদের পরিষেবা শুরু করতে চলেছে। উবার শাটল যে সমস্ত রুটগুলোতে জনপ্রিয় ছিল, প্রাথমিকভাবে সেই রুটগুলোতেই এই নতুন বাসগুলি চলবে। এর ফলে বেহালা চৌরাস্তা থেকে সেক্টর ফাইভ কিংবা যাদবপুর থেকে নিউ টাউনের যাত্রীরা আবারও অ্যাপের মাধ্যমে আসন বুক করে যাতায়াত করতে পারবেন।
ফ্লাইওভার ব্যবহারে মিলল সবুজ সংকেত
যাত্রীদের জন্য আরও একটি বড় সুখবর দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। এতদিন ১৪ আসনের শাটল গাড়ি বা ছোটো এসইউভি (SUV) গুলোর ফ্লাইওভার ব্যবহারে কিছু বিধিনিষেধ ছিল। কিন্তু যানজট এড়াতে এবং দ্রুত পরিষেবা নিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই শাটল গাড়িগুলিকে এখন থেকে এজেসি বোস রোড ফ্লাইওভার এবং মা ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে দেওয়া হবে। এর ফলে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় অন্তত ২০-৩০ মিনিট কমে যাবে।
আইটি সেক্টরের লাইফলাইন পুনর্গঠন
সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং নিউ টাউন এলাকায় কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। মেট্রো রেলের কাজ চললেও সব রুটে এখনও তা চালু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে সরকারি পরিবহণের যে খামতি রয়েছে, তা মেটাতে এই বেসরকারি উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সংস্থাগুলি আসার খবরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন অফিসযাত্রীরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


