Mamata Banerjee Assets and Education: মমতার সম্পত্তি কমল ৫ বছরে! হাতে ৭৫,৭০০ টাকা, কত গয়না আছে? শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
Mamata Banerjee Assets and Education Qualification: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ কত?
Mamata Banerjee Assets and Education Qualification: পাঁচ বছরে সম্পত্তি কমল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বুধবার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে তিনি যে হলফনামা দাখিল করেছেন, তাতে জানানো হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রীর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ হল ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫০৯ টাকা ৭১ পয়সা। যে অঙ্কটা ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় ১৬ লাখ ৭২ হাজার টাকার মতো ছিল। অর্থাৎ পাঁচ বছরে তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ এক লাখ টাকার বেশি কমে গিয়েছে। তারইমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে তাঁর নিজস্ব কোনও বাড়ি-গাড়ি নেই।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয়ের হিসাব (আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী)
১) ২০২০-২১ অর্থবর্ষ: ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ৮৪৫ টাকা।
২) ২০২১-২২ অর্থবর্ষ: ৩৮ লাখ ১৪ হাজার ৪১০ টাকা।
৩) ২০২২-২৩ অর্থবর্ষ: ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬০ টাকা।
৪) ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ: ২০ লাখ ৭২ হাজার ৭৪০ টাকা।
৫) ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ: ২৩ লাখ ২১ হাজার ৫৭০ টাকা।
আরও পড়ুন: PPF Rules: ১৫ বছর নয়, আরও বাড়ানো যায় PPF-র মেয়াদ, কীভাবে করবেন? আয়করেও বিশাল সুবিধা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য
১) হাতে নগদ ৭৫ হাজার ৭০০ টাকা আছে।
২) দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে। একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আছে ১২ লাখ ৩৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা। অপর অ্যাকাউন্টে আছে ৪০,০০০ টাকা। অর্থাৎ দুটি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে ১২ লাখ ৭৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা আছে।
৩) গয়না আছে ৯ গ্রাম ৭৫০ মিলিগ্রাম। বর্তমান বাজারমূল্যে দাম হচ্ছে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার মতো।
আরও পড়ুন: UPSC Prelims Tips: UPSC প্রিলিমস পরীক্ষায় এই ৪ ভুল করবেন না, টিপস টপার শক্তি দুবের, কী কী করতে হবে?
৪) হলফনামা অনুযায়ী, শেয়ার বাজার বা অন্যান্য খাতে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বিনিয়োগ নেই। নিজস্ব গাড়ি বা বাড়িও নেই।
৫) হলফনামা অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ হল ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫০৯ টাকা ৭১ পয়সা আছে। স্থাবর কোনও সম্পত্তি নেই।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা
১) হলফনামা অনুযায়ী, ১৯৭৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স অফ আর্টস)। ১৯৭৯ সালে পরীক্ষা হয়েছিল।
২) হলফনামা অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ যোগেশ চৌধুরী আইন কলেজ থেকে আইন নিয়ে স্নাতক।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











