...
...
Next Story

Mamata Banerjee President Row Update: 'প্রোটোকল ভাঙা হয়নি', 'প্রমাণ' দেখিয়ে রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানের অভিযোগ ওড়ালেন মমতা

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রোটোকল নিয়ে 'প্রমাণ' দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করলেন, রাষ্ট্রপতি মুর্মুর উত্তরবঙ্গ সফরে রাজ্য সরকার কোনও প্রোটোকল ভাঙেনি। সেইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়কে যাবতীয় বিষয়ে জানানো হয়েছিল।

Published on: Mar 7, 2026, 23:57:02 IST
Advertisement

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উত্তরবঙ্গ সফরে রাজ্য সরকার কোনও প্রোটোকল ভাঙেনি। এমনকী আয়োজকরা যে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে পারেননি, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়কেও জানানো হয়েছিল। এমনই দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের দাবির স্বপক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় একগুচ্ছ ‘প্রমাণ’-ও পেশ করেন তিনি। পোস্ট করেন একাধিক চিঠির ছবি। সেইসঙ্গে বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল কংগ্রেস-শাসিত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নিজেদের দলীয় স্বার্থে দেশের সর্বোচ্চ চেয়ারকে অসম্মান এবং অপব্যবহার করছে বিজেপি।’

আমরা আগেই বলেছিলাম, সাফ কথা মুখ্যমন্ত্রীর

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রোটোকল নিয়ে 'প্রমাণ' দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে, সমীর জানা/হিন্দুস্তান এবং এএনআই ফাইল)
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রোটোকল নিয়ে 'প্রমাণ' দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে, সমীর জানা/হিন্দুস্তান এবং এএনআই ফাইল)

শুক্রবার রাতের দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় 'প্রমাণ' হিসেবে চিঠি চালাচালির একাধিক ছবি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, শিলিগুড়িতে নবম আন্তর্জাতিক আদিবাসী সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক সাঁওতাল পরিষদ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্রাথমিকভাবে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনার পরে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল যে ওই অনুষ্ঠানের জন্য আয়োজকরা প্রস্তুত নন। বিষয়টি ফোনেও জানানো হয়েছিল রাষ্ট্রপতির সচিবালয়কে। সেই আবহে গত বুধবার রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের বিশেষ দল অনুষ্ঠানস্থল সরেজমিনে খতিয়ে দেখে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: WB Trains Cancellation on 8th March: বাংলায় ১১ মেমু ও ডেমু ট্রেন বাতিল রবিবার! পুরো যাবে না এই এক্সপ্রেস, রইল তালিকা

পরামর্শ উপেক্ষা করেই সিদ্ধান্ত, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের বিশেষ দলকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল যে আয়োজনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খামতি আছে। প্রশাসনের তরফে আয়োজকদের খামতিগুলি তুলে ধরা হলেও পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

সেই রেশ ধরে তিনি দাবি করেছেন যে যাবতীয় প্রোটোকল মেনেই চলেছে রাজ্য সরকার। তিনি দাবি করেছেন, প্রোটোকলে কোনও ত্রুটি ছিল না। শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়র গৌতম দেব, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক মণীশ মিশ্র এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরের থা রাষ্ট্রপতিকে যথাসময়ে অভ্যর্থনা জানান। বিদায় জানান তাঁকে। রাষ্ট্রপতির সচিবালয় থেকে যে অনুমোদিত 'লাইন-আপ' পাঠানো হয়েছিল, তা কঠোরভাবে মেনে চলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই লাইন-আপ বা মঞ্চের পরিকল্পনায় ছিলেন না। ফলে জেলা প্রশাসনের তরফে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘনের প্রশ্নই ওঠে না বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাষ্ট্রপতি বনাম মুখ্যমন্ত্রী

আর মুখ্যমন্ত্রী সেই ‘প্রমাণ’ পেশ করেছেন রাষ্ট্রপতির অনুযোগের পরে। তিনি দাবি করেন, বিধাননগরে কনফারেন্স হলে ভালো হত। অংশগ্রহণ করতে পারতেন অনেক মানুষ। আজ যেখানে অনুষ্ঠান হচ্ছে, সেখানে আসা বেশ কঠিন মানুষের পক্ষে। হয়তো রাজ্য প্রশাসন আশা করেছিল যে কনফারেন্সে কেউ আসবেন না। রাষ্ট্রপতি শুধু আসবেন। আর তিনি চলে যাবেন।

আরও পড়ুন: Gold-Money promise before TN Election: বিধানসভা ভোটে জিতলেই মেয়েদের ৮ গ্রাম সোনা, মাসে ২৫০০ টাকা, প্রতিশ্রুতি তারকার

রাষ্ট্রপতি আরও অনুযোগ প্রকাশ করে বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ছোট বোনের মতো। মমতা হয়তো রাগ করেছেন। তাই মুখ্যমন্ত্রী নিজে স্বাগত জানাতে আসেননি তাঁকে। পাঠানো হয়নি কোনও মন্ত্রীকেও। সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী আদৌও সরকারি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা পান কিনা, তা নিয়ে রাষ্ট্রপতি সংশয় প্রকাশ করেন।

সেই রেশ ধরে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ধরনা মঞ্চ থেকেই সরাসরি রাষ্ট্রপতিকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা বলতে নিজের লজ্জা লাগছে। মাননীয় রাষ্ট্রপতি তাঁকে আমরা সম্মান করি। তাঁকে দিয়েও পলিটিক্স বেচতে পাঠানো হয়েছে। বিজেপির অ্যাজেন্ডা বেচতে পাঠানো হয়েছে। আই অ্যাম সরি ম্যাডাম। আই হ্যাভ গ্রেট রিগার্ডস ফর ইউ। বাট ইউ আর ট্র্যাপড বাই দ্য বিজেপি।' সেইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, মণিপুর বা রাজস্থানে আদিবাসীদের উপরে অত্যাচার হলে কেন রাষ্ট্রপতি থাকেন?

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe