'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার পৃথিবীতে আসবেন না' - বললেন সাহিত্যিক আবুল বাশার। মঙ্গলবার ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দিদির কবিতা শুনতে-শুনতে একটা শুধু লাইন (মনে) এল। একজন খুব কবির। গোটা বাংলা যে কবিকে বরণ করে নিয়েছে, প্রায় রবীন্দ্রনাথ (ঠাকুরের) মতোই সম্মান দিয়েছে। তাঁর একটা লাইন আমার মাথার মধ্যে এল। খুব আবেগের সঙ্গে সেটা কবি লিখেছেন বলে আমার ধারণা। সেই লাইনটা হল, জীবনানন্দের লাইন। জীবনানন্দ বলেছেন, পায় নাকো আর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার পৃথিবীতে আসবেন না।’
মমতার ‘গান বাজবে বাঙালির ঘরে-ঘরে’, দাবি আবুল বাশারের

সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রীর গানেরও প্রশংসা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক। তিনি বলেন, ‘মমতার কারণে বাঙালি, ভারতবাসী এবং এই বিশ্ব চরাচর ধন্য হয়েছে। তাঁকে তাঁর কাজ করতে দিন। আমি বলব, কবি হিসেবেও উনি বড় মাপের কবি। গানের তো তুলনাই নেই। যখন উনি থাকবেন না, তখন তাঁর গান বাজবে বাঙালির ঘরে-ঘরে। এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আর আমি সাধারণত ভুল করি না। যেমন-যেমন চিনি, বুঝি, ভুল হয় না আমার।’
মমতার ধরনা মঞ্চে হাজির বিশিষ্টরা
আর বিশিষ্ট সাহিত্যিক যেখান থেকে সেই মন্তব্য করেছেন, তা এসআইআর-বিরোধী (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা) ধরনা মঞ্চ। ‘বাংলা-বিরোধী কেন্দ্রীয় সরকারের এসআইআরের মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যার প্রতিবাদে ও বাংলার বৈধ নাগরিকদের ভোটাধিকার হরণের চক্রান্তের বিরুদ্ধে’ গত শুক্রবার থেকে মমতার নেতৃত্বে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে মাঝেমধ্যেই সমাজের বিশিষ্টরা এসে নিজেদের সমর্থন জানিয়ে গিয়েছেন। সমর্থন করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ধরনাকে।
মুখ্যমন্ত্রী কী কী বলেছেন?
{{/usCountry}}মুখ্যমন্ত্রী কী কী বলেছেন?
{{/usCountry}}১) ভ্যানিশ কুমারের জন্য আমার করুণা হয়। চেয়ারকে অসম্মান না করেই বলতে চাই, আমি শুনেছি যে আজ মিটিংয়ে অফিসারদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন যে, তিনি শুধু এখনই ব্যবস্থা নেবেন না, মে মাসের পরেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। মে মাসের পর কি আপনার চেয়ার থাকবে? আগে নিজের চেয়ার বাঁচান, তারপর বাংলার অফিসার এবং মানুষকে হুমকি দেবেন।
২) বিএলও, ডিইওরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। বেশ কিছু মানুষ মারাও গেছেন। আপনি কেন একটি শব্দও উচ্চারণ করলেন না? এই মৃত আত্মারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আপনি উত্তর পাবেন। যে পাপ করে সে কখনও পার পায় না।
৩) আপনারা অনেক কিছুর পরিকল্পনা করছেন, তা সে ইভিএম কারচুপি হোক বা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া। বিহারে কেন কোনও তথ্যগত অসংগতি নেই? কেন এটা শুধু বাংলাতেই হচ্ছে? আপনারাই AI ব্যবহার করেছেন এবং পদবীতে ভুল করেছেন। যারা এক ঠিকানা থেকে অন্য ঠিকানায় গিয়েছেন তাদের নিয়ে আপনারা গোলমাল পাকিয়েছেন। বিয়ের পর বিবাহিত মহিলাদের ঠিকানা পরিবর্তন হওয়া স্বাভাবিক। অনেক মানুষ ঘরবাড়িও পরিবর্তন করেন। এতে তাদের দোষ কোথায়?
আরও পড়ুন: T20 World Cup 2026 All Awards List: বুমরাহের ‘মুকুট’ উঠল সঞ্জুর মাথায়, এবার T20 বিশ্বকাপে কে কোন পুরস্কার জিতলেন?
৪) অনেক মানুষ মারা গিয়েছেন। আপনারা আর কত বিজেপিকে সুবিধা করে দেবেন? সব এজেন্সি এখন ওদের হাতে। ভারতে আর কোনও গণতন্ত্র অবশিষ্ট নেই। মাত্র একটি রাজনৈতিক দল টিকে আছে এবং তারা আমাদের গণতন্ত্র সহ সবকিছু আত্মসাৎ করতে চায়।