NEET aspirant father: 'নিটে ৬৫০-র বেশি নম্বর পেত, ৩ সাল ধরে…', হতভম্ব আত্মঘাতী প্রার্থীর দিনমজুর বাবা
NEET aspirant father: সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার (নিট) জন্য তিন বছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ছেলে। এবার ভালো পরীক্ষাও দেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরে হতাশায় ভেঙে পড়েন প্রার্থী। ভেঙে পড়লেন বাবা।
NEET aspirant father: ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে তিন বছর ধরে নিটের প্রস্তুতি নিয়ে যাচ্ছিলেন। এবার পরীক্ষা দিয়ে ভেবেছিলেন যে স্বপ্নপূরণের আরও একটা ধাপ পেরিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। আর তারপরই আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠল রাজস্থানের সিকারে। ছেলের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন মৃত পরীক্ষার্থী প্রদীপ মেঘওয়ালের বাবা রাজেশ কুমার। যিনি দিনমজুরির কাজ করেও ছেলের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণ করতে মরিয়া ছিলেন। তিনি বলেন, ‘তিন বছর ধরে নিটের প্রস্তুতি নিচ্ছিল ও। এবার পরীক্ষাও ভালো হয়েছিল। আশা ছিল যে ৬৫০ নম্বরের বেশি পাবে। কিন্তু পরীক্ষা বাতিলের খবরে পুরোপুরি ভেঙে পড়ে ও।’
দিদি-বোনের সঙ্গে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন প্রদীপ
নিট দিয়ে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল ছেলের, সন্তান হারিয়ে শোকস্তব্ধ বাবা। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রদীপ আদতে রাজস্থানেরই ঝুনঝুনুর ছেলে। কিন্তু নিটের প্রস্তুতির জন্য গত তিন বছর ধরে সিকারের জলধারি নগর এলাকায় একটি বাড়িভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। সঙ্গে থাকতেন দুই বোন। শুক্রবার সেই বাড়ি থেকেই তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় তাঁর এক বোন কোচিং সেন্টারে ছিলেন। আর বাথরুমে ছিলেন দিদি। বাথরুম থেকে বেরিয়ে তিনি ভাইয়ের দেহ উদ্ধার করেন। খবর দেন বাড়ির মালিক ও পুলিশকে।
আর সেই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন রাজস্থানের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট। তিনি দাবি করেছেন, বারবার নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা বাতিলের ঘটনার পড়ুয়ারা মানসিক চাপে পড়ে যাচ্ছেন। মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেন রাজস্থানের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত করতে হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি তুলেছেন।
জরুরি সতর্কবার্তা: আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি কোনো ধরণের মানসিক চাপ, অবসাদ বা হতাশায় ভুগে থাকেন, তবে দয়া করে একা থাকবেন না। আপনার পরিবারের সঙ্গে কথা বলুন, বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন অথবা সরকারি/বেসরকারি হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে পেশাদার কাউন্সেলরের সাহায্য নিন। জীবন অত্যন্ত মূল্যবান, একে বাঁচিয়ে রাখাই আসল জয়।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।
Home/Bengal/NEET aspirant father: 'নিটে ৬৫০-র বেশি নম্বর পেত, ৩ সাল ধরে…', হতভম্ব আত্মঘাতী প্রার্থীর দিনমজুর বাবা
{{^htLoading}}
Advertisement
{{/htLoading}}
SHARE THIS ARTICLE ON
{{#usCountry}}{{/usCountry}}
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe