Bengal Industrial Parks Latest Update: শিল্পপার্ক তৈরির জন্য নদিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে জমি চিহ্নিত করে ফেলল রাজ্য সরকার। শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ভারত ঔদ্যোগিক বিকাশ যোজনার (ভাব্য - BHAVYA) আওতায় ওই দুটি শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে। সেজন্য পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের ছয় কিলোমিটার দূরেই অবস্থিত হীরাপুরে (ঢাকেশ্বরী কটন মিলের জমি) প্রায় ১৫০ একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে নদিয়ার ধুবুলিয়ায় চিহ্নিত করে ফেলা হয়েছে ১২০ একরের মতো জমি। চলতি মাসেই সেই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী।
৬ বছরে বাজেট বরাদ্দ ৩৩,৬০০ কোটি টাকা

এমনিতে গত মার্চে ভাব্য প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শিল্পায়নে গতি আনতে ওই প্রকল্পের আওতায় দেশজুড়ে ১০০টি অত্যাধুনিক শিল্পপার্ক তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সেজন্য ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষ থেকে ২০৩১-৩২ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ৩৩,৬০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।
ভাব্য প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে যুক্ত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ
কিন্তু ওই প্রকল্পের প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুক্ত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শিল্পমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপি সরকার আসার পরে ভাব্য প্রকল্পের আওতায় যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। কিন্তু প্রাথমিকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কোনও কাজ না করায় পুরো বিষয়টি নতুন করে শুরু করতে হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী সরকারকে। নিযুক্ত করতে হয়েছে এজেন্সিকেও। সেই পরিস্থিতিতে ভাব্য প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে যুক্ত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ।
শর্ত মেনে জমি লাগে, পরিকাঠামো তৈরির উপরে জোর
{{/usCountry}}শর্ত মেনে জমি লাগে, পরিকাঠামো তৈরির উপরে জোর
{{/usCountry}}আর সেই ভাব্য প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি শিল্পপার্ক তৈরি করার জন্য ন্যূনতম ১০০ একর জমির প্রয়োজন হয়। সেইসঙ্গে আরও শর্ত আছে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে শিল্পমন্ত্রী জানান, যে জমিতে শিল্পপার্ক তৈরি করা হবে, তাতে কোনও প্রতিবন্ধকতা থাকা চলবে না। জমির মালিকানা থাকতে হবে রাজ্য সরকারের হাতে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে ওরকম জমি পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই প্রকল্পে যোগ দিতে কিছুটা দেরি হল বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ‘এত চুরি...,' হালিশহরে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, নিশানায় মমতা
তিনি বলেছেন, ‘গত ১৫ বছরে (রাজ্যে) শিল্পপার্ক তৈরি করা হয়নি। আমাদের হাতে তাই প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। শিল্পের প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য আমরা কাজ করছি। আগামী মঙ্গলবার এই বিষয়টি নিয়ে সবপক্ষের বৈঠক হবে। তারপর মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে শীঘ্রই।’