Election Commission Voter List: ২৮ ফেব্রুয়ারি বৈধ ছিলেন, হঠাৎ ‘বিচারাধীন’ দেখাচ্ছিল কমিশন, পরে ঠিক হল সমস্যা
ফেব্রুয়ারির শেষদিনে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় 'বৈধ' ছিলেন। কিন্তু আজ তাঁদেরই নাম 'বিচারাধীন' দেখাতে শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। এমনই অভিযোগ তোলেন অনেক ভোটারই। পরে ঠিক হয়েছে সমস্যা।
ফেব্রুয়ারির শেষদিনে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় 'বৈধ' ছিলেন। কিন্তু আজ তাঁদেরই নাম 'বিচারাধীন' দেখাতে শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। এমনই অভিযোগ তোলেন অনেক ভোটারই। অভিযোগ ওঠে যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে বৈধ ভোটারের তকমা পেলেও এপিক নম্বর দিয়ে কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে সার্চ করলে দেখাচ্ছিল যে সংশ্লিষ্ট ভোটারের ভাগ্য ঝুলে আছে। অর্থাৎ 'বিচারাধীন' (Elector in under Adjudication) দেখাচ্ছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে ‘No Result Found’ দেখানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরকারিভাবে কমিশনের তরফে কিছু বলা হয়নি
প্রাথমিক সেই বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে আপাতত কিছু বলা হয়নি। তবে কমিশনের সূত্র উদ্ধৃত করে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয় যে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এরকম হচ্ছে। ওয়েবসাইট থেকেই নাম দেখতে এল এরকম সমস্যা হচ্ছে বলে দাবি করেন কমিশনের ওই আধিকারিক।
আরও পড়ুন: IPAC Case in SC: 'আদালত ধরেই নিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী অপরাধ করেছেন?', আইপ্যাক মামলায় বলল রাজ্য সরকার
এখন ঠিক হয়ে গিয়েছে সমস্যা
পরবর্তীতে অবশ্য সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস নেত্রী দেবাঞ্জনা দেব বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমার নাম ভোটার তালিকায় ছিল। আমার শুনানির ডাক আসেনি। বিচারাধীন তালিকায় ছিল না আমার নাম। পুরো স্বচ্ছ। আমার বাবার নাম, ঠাকুরদার নাম, ঠাকুমার নাম ছিল ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। কিন্তু (আজ) হঠাৎ করে দেখলাম যে আমার নামও আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনে দেখাচ্ছে। আমিও অবৈধ হয়ে গিয়েছিলাম। তবে এখন ঠিক হয়ে গিয়েছে।’
আরও পড়ুন: UPI Transaction Rule: পিন ভুলে গেলেও পাঠানো যাবে টাকা! UPI ইউজারদের জন্য সুখবর, কত টাকা পর্যন্ত?
কাল রাতেই প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হয়েছে
আর সেই ঘটনা ঘটেছে সোমবার মধ্যরাতের কাছাকাছি প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পরে। প্রাথমিক ভাবে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, রাত ৯টা নাগাদ প্রকাশিত হবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। তবে পরে গিয়ে মধ্যরাতের কিছু আগে প্রকাশিত হয়। রাত প্রায় পৌনে বারোটা নাগাদ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট আপলোড করা হয় কমিশনের ওয়েবসাইটে। কমিশনের তরফে জানানো হয়, সেখানে গিয়েই নিজের নাম খুঁজতে পারেন ভোটাররা। এর জন্য voters.eci.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
শুধু তাই নয়, সেই তালিকা রাজ্যজুড়ে বুথ, জেলাশাসকের দফতর, মহকুমা শাসকের দফতর, বিডিওয়ের দফতরে টাঙানোর কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে প্রাথমিকভাবে সেই কাজটা করেনি কমিশন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


