UPI Transaction Rule: পিন ভুলে গেলেও পাঠানো যাবে টাকা! UPI ইউজারদের জন্য সুখবর, কত টাকা পর্যন্ত?
ইউপিআই পিন মনে রাখার টেনশন শেষ! BHIM অ্যাপে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত পেমেন্ট করুন ফিংগারপ্রিন্ট বা ফেস আইডিতে। কীভাবে এই বায়োমেট্রিক ফিচার চালু করবেন জানুন বিস্তারিত।
বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমরা প্রায় সবাই কেনাকাটার জন্য ইউপিআইয়ের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে পেমেন্ট করার সময় বা অনেক দিন ব্যবহার না করায় অনেকেই চার বা ছয় সংখ্যার ইউপিআই পিন (UPI PIN) ভুলে যান। এই সমস্যা সমাধানে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) এক দুর্দান্ত সুখবর নিয়ে এসেছে। এখন থেকে BHIM অ্যাপের মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পেমেন্ট করতে আর কোনও পিন টাইপ করার প্রয়োজন হবে না। আপনার স্মার্টফোনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস লক ব্যবহার করেই নিমেষের মধ্যে সারা যাবে লেনদেন।

বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন: কেন এটি বিপ্লব?
এতদিন পর্যন্ত যে কোনও অঙ্কের ইউপিআই লেনদেনের জন্য পিন দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু নতুন এই বায়োমেট্রিক ফিচারের ফলে পেমেন্ট প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত এবং সহজ হবে। বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন প্রযুক্তিতে আপনার শারীরিক বৈশিষ্ট্য (আঙুলের ছাপ বা মুখাবয়ব) ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করা হয়। এর ফলে পিন চুরি বা কেউ আপনার পিন দেখে নেওয়ার ভয় থাকবে না, যা নিরাপত্তাকে আরও একধাপ বাড়িয়ে দেবে।
৫০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে বিশেষ ছাড়
এনপিসিআইয়ের এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, তুলনামূলক কম টাকার লেনদেনের ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। আপাতত ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পেমেন্টের জন্য এই সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার খাতিরে ৫,০০০ টাকার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে আগের মতোই সিক্রেট ইউপিআই পিন ব্যবহার করতে হবে। কিউআর কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করা হোক বা সরাসরি কাউকে টাকা পাঠানো - সবক্ষেত্রেই এই বায়োমেট্রিক ফিচার কাজ করবে।
কীভাবে এই ফিচার চালু করবেন?
১) প্রথমে আপনার স্মার্টফোনে থাকা BHIM অ্যাপটি লেটেস্ট ভার্সনে আপডেট করে নিন এবং লগ-ইন করুন।
২) অ্যাপের ওপরের দিকে থাকা প্রোফাইল (Profile) সেকশনে যান।
৩) সেখানে আপনার লিঙ্ক করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি নির্বাচন করুন।
৪) মেনুতে 'Biometric Transaction' বা 'Fingerprint/Face Pay' অপশনটি খুঁজে বের করুন।
৫) অপশনটি 'On' করে দিন এবং আপনার ফোনের বায়োমেট্রিক ডেটার মাধ্যমে তা ভেরিফাই করুন।
ব্যস! এখন থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত পেমেন্টের সময় অ্যাপ আপনার কাছে পিনের বদলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি চাইবে।
আরও পড়ুন: IPAC Case in SC: 'আদালত ধরেই নিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী অপরাধ করেছেন?', আইপ্যাক মামলায় বলল রাজ্য সরকার
ব্যবহারকারীদের জন্য কেন এটি সুবিধাজনক?
এই ফিচারের সবথেকে বড় সুবিধা হল গতি। পিন টাইপ করার সময় সাশ্রয় হবে এবং ভুল পিন দেওয়ার কারণে অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়ার ভয় থাকবে না। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ বা যারা প্রযুক্তিতে খুব একটা সাবলীল নন, তাদের জন্য পিন মনে রাখার ঝক্কি কমবে। এছাড়া জনাকীর্ণ স্থানে পেমেন্ট করার সময় পিন টাইপ করা অনেক সময় অসুরক্ষিত মনে হয়, সেক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত সরকার এবং এনপিসিআইয়ের এই উদ্যোগ ডিজিটাল ইন্ডিয়া মিশনকে আরও শক্তিশালী করবে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কেনাকাটাকে আরও সহজ এবং ক্যাশলেস করাই এই ফিচারের মূল লক্ষ্য।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


