Modi on WB: ‘ফুটবলপ্রেমী রাজ্য হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ আজ লজ্জিত, সৌজন্যে..’, মেসির ইভেন্ট-কাণ্ডের নাম না করে সরব মোদী

একের পর এক পোস্টে কী বার্তা দিলেন মোদী?

Published on: Dec 20, 2025, 21:27:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

নদিয়ায় শনিবার ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জোড়া সভা। তবে সভাস্থল পর্যন্ত এদিন পৌঁছতেই পারেনি প্রধানমন্ত্রীর কপ্টার। খারাপ আবহাওয়ার কারণে কপ্টার ফিরে যায় কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকেই ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে বিজেপি কর্মী সদস্যদের উদ্দেশে বার্তা দেন মোদী। তবে সেই সভার ঘণ্টা পাঁচেক কাটতে না কাটতেই মোদী এক্স হ্যান্ডেলে জানান,' কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, যা আমি রানাঘাটের সভায় আলোচনা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আবহাওয়ার কারণে সেখানে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারিনি। নিচে একটি থ্রেডে সেই বিষয়গুলির বিবরণ দিলাম।' এরপরই আসে মোদীর পর পর পোস্টের থ্রেড।

‘ফুটবলপ্রেমী রাজ্য হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ আজ লজ্জিত, সৌজন্যে..’, মেসির ইভেন্ট-কাণ্ডের নাম না করে সরব মোদী (PMO)
‘ফুটবলপ্রেমী রাজ্য হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ আজ লজ্জিত, সৌজন্যে..’, মেসির ইভেন্ট-কাণ্ডের নাম না করে সরব মোদী (PMO)

এদিনের মোদীর ভার্চুয়াল ভাষণে মতুয়া প্রসঙ্গ উঠলেও এসআইআর ইস্যুতে মতুয়া-উদ্বেগ কমানো নিয়ে সেভাবে কিছু উঠে আসেনি। তবে মোদী সন্ধ্যায় তাঁর পোস্টে এই বিষয়ে লেখেন,' আমি প্রত্যেকটি মতুয়া ও নম:শূদ্র পরিবারকে আশ্বাস দিচ্ছি, আমরা সর্বদা তাঁদের সেবা করব। তাঁরা তৃণমূলের অনুগ্রহে এখানে নেই। তাঁরা আমাদের সরকারের প্রণয়ন করা CAA-এর মাধ্যমে সম্মানের সঙ্গে ভারতে বসবাস করার অধিকার পেয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত হলে মতুয়া ও নম:শূদ্র সমাজের জন্যে আমরা আরো বেশি করে কাজ করব।' অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মোদীর পোস্ট থ্রেডে লেখা হয়,' তৃণমূল সর্বশক্তি দিয়ে সেই অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করে চলেছে, যারা পশ্চিমবঙ্গের গরিব মানুষকে লুট করছে, রাজ্যে সন্ত্রাস ও অস্থিরতা ছড়াচ্ছে এবং আমাদের নারীশক্তির উপর বর্বর অত্যাচার চালাচ্ছে।' একইসঙ্গে তাঁর বার্তা,' পশ্চিমবঙ্গের জনগণের প্রতি মোদীর প্রতিশ্রুতি, রাজ্যে একবার বিজেপি সরকার গঠিত হলেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

( Bangladesh Tension: লাল কালিতে ‘আই কিল ইউ’ লেখা চিরকুট এল বাংলাদেশের জামায়েত সদস্যের বাড়িতে! ওদিকে লক্ষ্মীপুরে…)

মোদীর বার্তা,'পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে আমি সতর্ক করেছি তৃণমূল কংগ্রেসের চক্রান্ত নিয়ে, যারা অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে সর্বতোভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।' এরই সঙ্গে পোস্টে উঠে আসে,' তৃণমূলের অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি সমর্থন কতটা গভীর, তা বোঝা যায়, যখন তাদের সমর্থকরা 'মোদী গো ব্যাক' বলতে দ্বিধা করেন না, কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের 'গো ব্যাক’ বলার সময় নীরব হয়ে যান।'

স্বভাবসিদ্ধ মেজাজে মোদী কাটমানি নিয়েও তাঁর পোস্টে তৃণমূলকে খোঁচা দেন। প্রধানমন্ত্রী পোস্টে বার্তা দেন,' বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে এমন একটি সরকার রয়েছে, যার মনোযোগ মূলতঃ কাটমানি ও কমিশনে। এর ফলে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প আটকে রয়েছে। আমি বাংলার জনগণের কাছে আবেদন করেছি, বিজেপিকে একবার সুযোগ দিন…।' প্রধানমন্ত্রীর পোস্টে লেখা রয়েছে,'গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অনেক সহ্য করেছেন। রাজ্যের নারীশক্তির অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।'

সদ্য কলকাতায় মেসি ইভেন্ট ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও সেই ইভেন্টের নাম না করে মোদী তাঁর পোস্টে লেখেন,'ফুটবলপ্রেমী রাজ্য হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ আজ লজ্জিত, সৌজন্যে তৃণমূল। সাম্প্রতিক ঘটনাটি রাজ্যের অসংখ্য ফুটবলপ্রেমী তরুণ-তরুণীর হৃদয় ভেঙে দিয়েছে।'

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More