Police Saluting TMC Candidate: প্রথম দফার ভোট হয়ে গিয়েছে সেই ২৩ এপ্রিল। এই আবহে সেই আসনগুলিতে প্রার্থীদের নজর এখন স্ট্রংরুমগুলির ওপর। শাসক-বিরোধী উভয় পক্ষেরই অভিযোগ, ইভিএম বদলের চেষ্টা করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে অনেক প্রার্থীই ভোট পাহারা দিতে স্ট্রংরুমে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। এরই মাঝে স্ট্রংরুমের বাইরে সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস পুলিশকে শাসিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন সম্প্রতি। এই আবহে সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের সঙ্গে স্ট্রংরুম ও গণনাকেন্দ্র সংক্রান্ত নিয়মাবলী নিয়ে বৈঠক করেন মালদায় জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার। সেখানেই তৃণমূলের প্রার্থীকে স্যালুট করতে দেখা যায় পুলিশ আধিকারিককে। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। (আরও পড়ুন: 'বিভাজনের রাজনীতি... বাংলা ভাঙার চেষ্টা করা হতে পারে', বললেন কংগ্রেসের কানহাইয়া)

আরও পড়ুন: 'সেক্যুলারিজম নিপাত যাক' বলায় শুভেন্দুর প্রার্থীপদ বাতিলের আর্জি, কী বলল HC?
উল্লেখ্য, মালদা কলেজের স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম, মালদা পলিটেকনিক কলেজে আছে সাতটি কেন্দ্রের ইভিএম। এই আবহে মালদা কলেজে এই বৈঠক করা হয় প্রার্থীদের সঙ্গে। সেখানেই চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্যালুট করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায়। এই নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। (আরও পড়ুন: চিৎপুরে ৪টি বন্দুক, ১১৪ রাউন্ড গুলি নিয়ে এসে ধরা পড়ল বিহারের শামিম আলম)
যদিও বিতর্কের আবহে তৃণমূলের যুক্তি, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হওয়ায় প্রসূনকে দেখে অভ্যাসবশতই ওই পুলিশকর্তা তাঁকে স্যালুট করে ফেলেছেন। যদিও বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল পুলিশ প্রশাসনকে কার্যত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছে। যদিও ঘাসফুল শিবিরের পালটা যুক্তি, 'বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই কাজ করছেন সমস্ত পুলিশ আধিকারিক।' তা সত্ত্বেও গেরুয়া শিবিরের দাবি, পুলিশ যে দলদাসে পরিণত হয়েছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ। বিজেপির অভিযোগ, প্রসূনবাবু প্রাক্তন আইপিএস হলেও বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী তিনি। তাঁকে পুলিশের এভাবে স্যালুট করা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার পরিপন্থী।