Puri Jagannath Daitapati on Mamata: রথযাত্রার দিনই ‘ধাম’ বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কখনও রাজনীতির মধ্যে ছিলেন না। কিন্তু যেটা সঠিক, সেটাই বলেন। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা যখন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সঙ্গে ‘ধাম’ জুড়ছিলেন, তখন তিনি সেই কাজটা করতে বারণ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর পরামর্শ উপেক্ষা করে ‘ধাম’ শব্দ ব্যবহার করেছিলেন মমতা। বসানো হয়েছিল পাথরের মূর্তি। মমতা তাঁর কথার তোয়াক্কা করেননি বা পাত্তা দেননি বলেই দাবি করেছেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী।
‘প্রভু কখনও কারও অহঙ্কার সহ্য করেন না’

সেই রেশ ধরে ওই সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, প্রভু কখনও কারও অহঙ্কার সহ্য করেন না। সেজন্যই মমতা সরকার উলটে গেল। পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী সরকার এল। আর সঙ্গে-সঙ্গে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম থেকে ‘ধাম’ শব্দটা কেটে দেওয়া হল।
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সঙ্গে ‘ধাম’ জুড়ে কী লাভ হত?
পাশাপাশি শুভেন্দুকে ‘নিজের শিষ্য’ হিসেবে উল্লেখ করে পুরীর জগন্নাথ ধামের জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী প্রশ্ন তোলেন, বিভিন্ন প্রান্তে তো হাজার-হাজার মন্দির হচ্ছে। সেখানে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সঙ্গে ‘ধাম’ জুড়ে কী লাভ হত, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পুরীর জগন্নাথ ধামের জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী।
শুভেন্দুও স্পষ্টবার্তা দিয়েছেন একেবারে
আর পুরীর জগন্নাথ ধামের জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী যেদিন সেই কথা বলেছেন, সেদিনই কলকাতায় ইসকনের রথযাত্রার সূচনার সময় দিঘার মন্দিরের ‘ধাম’ বিতর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানিয়েছেন, যাবতীয় রীতিনীতি মেনে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে রথযাত্রা পালন করা হচ্ছে। পালিত হচ্ছে অন্যান্য রীতি। শুধু সনাতনী ধর্ম মেনে নাম থেকে ধাম শব্দটা তুলে দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}আর পুরীর জগন্নাথ ধামের জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী যেদিন সেই কথা বলেছেন, সেদিনই কলকাতায় ইসকনের রথযাত্রার সূচনার সময় দিঘার মন্দিরের ‘ধাম’ বিতর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানিয়েছেন, যাবতীয় রীতিনীতি মেনে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে রথযাত্রা পালন করা হচ্ছে। পালিত হচ্ছে অন্যান্য রীতি। শুধু সনাতনী ধর্ম মেনে নাম থেকে ধাম শব্দটা তুলে দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}এমনিতে গত মাসেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে 'ধাম' শব্দ বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেছিলেন, ‘ধাম লিখে যা করা হয়েছে, তা সনাতন সংস্কৃতি এবং ভারতীয় সংস্কৃতির নিরিখে সঠিক নয়। আমি বিস্তারিতভাবে নথিপত্র খতিয়ে দেখেছি। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ববর্তী সরকার যে প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিল, তাতে নাম ছিল শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধাম কালচারাল সেন্টার। সরকারের টাকায় তৈরি করেছিল। টেকনিক্যালি কালচারাল সেন্টারের নামে তৈরি করেছিল। আর ধাম শব্দটা ঢুকিয়ে দিয়েছিল। আজ মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি গ্রহণ করছি। দ্রুত আমরা নাম থেকে ধাম শব্দটা বাদ দিয়ে দেব। ওখানে কালচারাল সেন্টার কমপ্লেক্স থাকবে।’
সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়টা তাঁদের মনে ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের মন্ত্রিসভা যে প্রস্তাব পাশ হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল যে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে ‘ধাম’ শব্দ যুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। যা আদতে সনাতন ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত। সেই পরিস্থিতিতে এখন থেকে ‘ধাম’ শব্দ মুছে ফেলা হচ্ছে দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে।