Rain Forecast in Kolkata till 14th April: আজও ঝড়-বৃষ্টি চলবে, ‘ঠান্ডা’ থাকবে কলকাতা, পয়লা বৈশাখের আগে পারদ চড়বে কতটা?
কলকাতায় ঝড়-বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকবে। সার্বিকভাবে আজ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় (কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে।
আজও ঝড়-বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকবে কলকাতায়। পরপর চারদিন ঝড়-বৃষ্টির জেরে ‘ঠান্ডা’ রয়েছে শহর। আজও সেরকম থাকবে পরিস্থিতি। তবে আগের কয়েকদিনের থেকে বৃহস্পতিবার মহানগরে ঝড়-বৃষ্টির দাপট অনেকটাই কম থাকবে বলে জানালেন আবহবিদরা। আজ সকালে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমে ২১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঠেকেছে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩.৯ ডিগ্রি কম। শেষ ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫.২ মিলিমিটার। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩০ ডিগ্রির আশপাশে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করতে হবে। তারইমধ্যে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে আকাশ মেঘলা হয়ে যাবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: CRPF Recruitment 2026: CRPF-তে চাকরির সুযোগ! ৯,১৯৫ শূন্যপদে নিয়োগ, কবে থেকে আবেদন শুরু? বেতন কত হবে?
নতুন কোনও সিস্টেম তৈরি হয়নি, জানালেন আবহবিদরা
আবহবিদরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কলকাতায় এক-দু'দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হবে। কিন্তু বৃষ্টির তীব্রতা অনেকটা কম থাকবে। নয়া কোনও আবহাওয়ার সিস্টেম তৈরি না হওয়ায় শুক্রবার থেকে শুষ্ক হয়ে যাবে কলকাতার আবহাওয়া। সেইসঙ্গে পয়লা বৈশাখের (১৫ এপ্রিল) আগে বাড়বে তাপমাত্রাও। অর্থাৎ গরমও বাড়বে।
কতটা গরম বাড়বে কলকাতার?
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার, শনিবার, রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার কলকাতার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। কলকাতায় বৃষ্টি হবে না আগামী পাঁচদিনে। তারইমধ্যে শুক্রবার থেকে পরবর্তী চারদিনে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (দিনের তাপমাত্রা) চার-ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে।
দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?
সার্বিকভাবে আজ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় (কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে। হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদিয়ার অনেকাংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে হুগলি,পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি অংশে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


