Kolkata Teachers on Census 2026 Work: জনগণনার কাজ করা শিক্ষকদের 'অন ডিউটি' দিতে হবে! শেষলগ্নে নির্দেশ কলকাতা পুরনিগমের
Kolkata Teachers on Census 2026 Work: সেনসাস প্রক্রিয়াকে সুচারু ও সময়মতো সম্পন্ন করতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরনিগম। সেনসাস বা জনগণনা সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাজের সময়সীমাকে 'অন ডিউটি' হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিল।
Kolkata Teachers on Census 2026 Work: জনগণনার কাজের সময় শিক্ষকদের 'অন ডিউটি' হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সেই মর্মে স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হল কলকাতা পুরনিগমর কর্তৃপক্ষের। পুরনিগমের তরফে সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং বিভাগীয় প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছে যে শিক্ষকরা জনগণনার কাজে যতটা সময় নিয়োজিত থাকবেন, ততক্ষণ তাঁদের হাজিরা খাতায় বা সার্ভিস রেকর্ডে বাধ্যতামূলকভাবে 'অন ডিউটি' হিসেবে নথিভুক্ত করতে হবে। যে দাবিটা আগে থেকেই করে আসছিলেন শিক্ষকরা। রাজ্যের কয়েকটি পুরসভার তরফে সেই নির্দেশ দেওয়া হলেও কলকাতার শিক্ষকরা ‘বঞ্চিত’ ছিলেন। রবিবার (১৬ অগস্ট) থেকে বাড়ি-বাড়ি দিয়ে জনগণনার কাজ শুরু করার আগে সেই দাবি মেনে নেওয়া হল কলকাতায়।

জনগণনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বার্তা কলকাতা পুরনিগমের
কলকাতা পুরনিগমের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, শহরের একাধিক বিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মীদের সেনসাসের কাজে ইনুমারেটর এবং সুপারভাইজার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা নির্ধারণে এই তথ্য সংগ্রহের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল।
'অন ডিউটি' হিসেবে বিবেচনা করতে হবে শিক্ষকদের
যেহেতু এই জনগণনার কাজ সম্পন্ন করতে কর্মীদের নিয়মিত ফিল্ড ওয়ার্ক বা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা চালাতে হয়, তাই সাধারণ ক্লাসরুম শিক্ষাদান বা দৈনন্দিন অফিসের কাজের সঙ্গে সময় মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে। সেই কারণেই জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষকদের প্রশাসনিক সুবিধা দিতে এবং কাজের পরিবেশ মসৃণ রাখতে তাঁদের 'অন ডিউটি' হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে পুরনিগমের তরফে।
সেনসাস আইনের ১৫এ ও ১৫বি ধারার উল্লেখ
এই বিষয়ে আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সেনসাস অ্যাক্টের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদের (১৫এ এবং ১৫বি) কথা স্মারকলিপিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৫এ ধারা অনুযায়ী, কোনও কর্মচারী যখন সেনসাস বা আদমশুমারির দায়িত্ব পালন করেন, সেই সময়সীমাকে তাঁর মূল কর্মসংস্থানের অধীনেই সম্পাদিত সার্ভিস বা ডিউটি হিসেবে ধরে নিতে হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মী পদোন্নতি , বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা অন্য কোনও পেশাগত সুবিধা থেকে কোনওভাবেই বঞ্চিত হবেন না।
১৫বি ধারার আওতায় আবার জনগণনার কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের আইনি সুরক্ষাকবচ প্রদান করা হয়। আইনগত নিয়ম মেনে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বা কাজ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার সময় কোনও কর্মীর বিরুদ্ধে যাতে আইনি পদক্ষেপ বা মামলা না চালানো যায়, তার সুরক্ষা দেওয়া হয় এই ধারার আওতায়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


