Riju comapres TMC's loss with Pakistan: ‘পাকিস্তানের হার….’, তৃণমূল নিয়ে বিস্ফোরক ঋজু দত্ত, বললেন ‘কমোড বসাতেও টাকা নিত’

Riju comapres TMC's loss with Pakistan: তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ঘুরিয়ে পাকিস্তানের তুলনা করলেন সদ্য প্রাক্তন মুখপাত্র ঋজু দত্ত। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করলেন, সবরকম দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল তৃণমূল। যে কোনও কাজের জন্য টাকা চাইত।

Published on: May 10, 2026 2:55 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Riju comapres TMC's loss with Pakistan: তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ঘুরিয়ে পাকিস্তানের তুলনা করলেন ঋজু দত্ত। সেইসঙ্গে তৃণমূল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে চাকরি চুরি এবং লাগামহীন দুর্নীতির অভিযোগও তুললেন সদ্য প্রাক্তন মুখপাত্র। সংবাদমাধ্যম টিভি লাইন বাংলায় তিনি দাবি করেন, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড়সড় জয়ের পরে কলকাতায় রাস্তায় পা রাখলে যেন মনে হচ্ছে যে পাকিস্তান হেরে গিয়েছে। জিতে গিয়েছে ভারত। কোনওরকম ভয় না পেয়েই মানুষ নিজেদের মন খুলে কথা বলতে পারছেন না বলেও দাবি করেন ঋজু।

তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ঘুরিয়ে পাকিস্তানের তুলনা করলেন সদ্য প্রাক্তন মুখপাত্র ঋজু দত্ত। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক RIju Dutta)
তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ঘুরিয়ে পাকিস্তানের তুলনা করলেন সদ্য প্রাক্তন মুখপাত্র ঋজু দত্ত। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক RIju Dutta)

'কমোড থেকে বাড়ির প্ল্যান- সবকিছুর জন্য টাকা নিত তৃণমূল'

সেখানেই থামেননি তৃণমূল থেকে সদ্য সাসপেন্ড হওয়া নেতা। ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঋজু অভিযোগ করেন যে চাকরি চুরির বিষয়টি দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। তাই যদি কেউ বলেন যে চাকরি চুরি হয়নি, সেটা মহাপাপ হবে। শুধু তাই নয়, যে কোনও ক্ষেত্রে টাকা তুলত তৃণমূল। কেউ বাড়ির কমোড বসাতে গেলে টাকা চাইত। বাড়ির প্ল্যানে অনুমোদনের জন্য তুলত টাকা। এমন কোনও ক্ষেত্র ছিল না, যেটার জন্য তৃণমূলকে টাকা দিতে হত না।

আরও পড়ুন: CPIML on Mamata's proposal: ‘রাস্তায় নামুন, আমরা….’, মমতার হাত মেলানোর প্রস্তাব শুনেই সরাসরি বার্তা CPIML-র!

বিজেপির প্রতি বার্তা ঋজুর

আর সেই মন্তব্যের আগেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন ঋজু। বিজেপির বঙ্গজয়ের পরে একটি ভিডিয়োবার্তায় তিনি বলেছিলেন, 'বিজেপির বিধায়কদের এত ব্যস্ততা, আগামী ৯ তারিখ তাঁদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেও যতজন বিজেপি বিধায়ককে আমি ফোন করেছি। প্রতিটি বিজেপি বিধায়ক যাদের আমি ফোন করেছি, তারা দুটো রিংয়ের মধ্যে আমার ফোন ধরেছে। বিজেপির দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিজেপির বাংলার শীর্ষ নেতৃত্ব, আমাকে ওপেনলি বলেছে, তুমি বুক ফুলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস করো। তোমার পরিবারের উপরে কোনও আঁচ আসবে না।'

আরও পড়ুন: Rain Forecast on 10th May: আজ কালবৈশাখী কলকাতায়! ৬০ কিমিতে ঝড় ৫ জেলায়, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি কোথায় কোথায়?

সেইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন যে বিজেপি নেতাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে সাহায্য করেনি। তবে বিজেপির বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি তাঁকে অভয় দেন। ঋজু বলেছিলে, 'বিজেপি যে সৌজন্য দেখিয়েছে, বিজেপি যে উদারতা দেখিয়েছে, বিজেপি যে প্রোটেকশন দিয়েছে, যে সহযোগিতা তাঁর সাথে করেছে এই ঋণ আমি জানি না শোধ করতে পারব কিনা।' পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেছিলেন, তৃণমূলের অনেক নেতা নাকি বিজেপিতে যোগদান করতে চেয়েছেন। এদিকে প্রচারের সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করার জন্যে ক্ষমাও চেয়ে নেন।

আরও পড়ুন: Suvendu PA Murder Investigation Update: মোদী সরকারের ‘ডিজিটাল’ সিদ্ধান্তই ধরিয়ে দেবে শুভেন্দুর PA-র খুনিদের? মিলল ‘ক্লু’

সাসপেনশনের পরে ঋজুর বার্তা

সেই ঘটনার পরে তৃণমূলের তরফে তাঁকে ছয় বছরের সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়। তা নিয়ে শনিবার ঋজু বলেন, ‘আমার প্রাণপ্রিয় দল। যে দল কে আমার যৌবনের ১৩টা বছর দিয়েছি। নিরন্তর পরিশ্রম করেছি নিজেকে প্রমাণ করার জন্য। শুধুমাত্র নিজের কাজ ও পারফরম্যান্সের জোরে ধাপে ধাপে উপরে উঠেছি — কারণ আমি কোনও নেপো কিড নই। আর আজ আমার প্রিয় দলই আমায় ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড করল! কেন? কারণ আমি সত্যিটা বলেছি। সাসপেনশনের নোটিশে বলা হয়েছে আমি নাকি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সামনে হাজির হইনি। অথচ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি ৯ মে সকাল ১১ টা ২৭ মিনিটে পার্টির সদর দফতরে (তৃণমূল ভবন) আমার জবাব জমা দিয়েছি। সম্ভবত আমার জবাব পড়ার আগেই নোটিশটা টাইপ করা হয়ে গিয়েছিল। ধন্যবাদ, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস! আমি কথা দিচ্ছি - আবার দেখা হবে।'

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More