Bengal Investment Latest Update: ভারী শিল্পে ৮০০ কোটি টাকার লগ্নি আসছে বাংলায়! শিঁকে ছিড়বে কোন জেলার? ২ দফায় কাজ
Bengal Investment Latest Update: পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্পে ৮০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ আসতে চলেছে। দু'দফায় সেই বিনিয়োগের কাজ হবে। কোন জেলায় সেই অর্থ ঢালা হবে, সে বিষয়ে ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গিয়েছে।
Bengal Investment Latest Update: পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় ৮০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসছে। আর সেই বিনিয়োগ করতে চলেছে কলকাতার সংস্থা মানকসিয়া স্টিলস লিমিটেড। হলদিয়ায় নিজেদের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য ওই সংস্থার তরফে দু'দফায় ৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় বিনিয়োগ করা হবে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার মতো। বাকি অর্থ বিনিয়োগ করা হবে দ্বিতীয় দফায়।

স্পেশালাইজেশনের উপরে জোর দেওয়া হবে
আর সেই ঘোষণা করা হয়েছে কলকাতায় ভারত চেম্বার অফ কমার্স আয়োজিত ইন্ডিয়া-আফ্রিকা বিজনেস লিঙ্কেজের অনুষ্ঠানে। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের উপস্থিতিতে মানকসিয়া স্টিলস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বরুণ আগরওয়াল জানিয়েছেন, আপাতত যা পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে বিশেষত্বের উপরে জোর দেওয়া হবে। সেজন্য প্রথম দফায় ৪০০ কোটি টাকার লগ্নির পরিকল্পনা আছে। তারপর বাকি ৪০০ কোটি টাকার মতো ঢালা হবে হলদিয়ার প্ল্যান্টের সম্প্রসারণে।
রাজ্যে ফিরে এসে বিনিয়োগের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর
তারইমধ্যে জৈন সম্প্রদায়ের মানুষকে পশ্চিমবঙ্গে ফিরে এসে বিনিয়োগের আর্জি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার ভবানীপুরের জৈন মন্দিরে পবিত্র সম্বৎসরী দিবস উদযাপনের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী জানান, জৈন সম্প্রদায়ের সঙ্গে হাতে হাত রেখে কাজ করতে চায় রাজ্য সরকার। জৈন সম্প্রদায় সরকারের থেকে কী কী চায়, কী কী প্রত্যাশা আছে, তা নিয়ে একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ তৈরি করা হোক। তা নিয়ে দুর্গাপুজোর পরে বৈঠক করা হবে। আর আলোচনা করা হবে পুরো বিষয়টি।
রাজ্যকে ১,০৪২.৬২ কোটি টাকা দিচ্ছে কেন্দ্র
সেইসবের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যকে ১,০৪২.৬২ কোটি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর কথায়, ‘কেন্দ্র সরকার রাজ্যের পূর্ত দফতরের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে CRIF প্রকল্পের আওতায় ১,০৪২.৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ ও জঙ্গলমহল মিলিয়ে ১৯৪ কিলোমিটারেরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত ও শক্তিশালী হবে।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘রাজ্যের পূর্ত দফতর এই প্রকল্পগুলির দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সর্বোচ্চ গুণমান বজায় রেখে সুষ্ঠু ভাবেই কাজ করবে। গ্রামীণ ও মহাসড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। রাজ্যের অর্থনৈতিক বিকাশকে শক্তিশালী করতে, সড়ক পরিকাঠামোকে বিশ্বমানের করে তোলাই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লক্ষ্য।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


