Science Exhibition at Nadia School: স্বামী বিবেকানন্দের ঐতিহাসিক শিকাগো বক্তৃতার দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আয়োজন করা হল বিজ্ঞান প্রদর্শনী এবং সেমিনারের। নদিয়া হাঁসখালি ব্লকের হিন্দুস্তান প্রজ্ঞা অন্বেষণ পরিষদের উদ্যোগে বগুলা ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সেই আন্তঃবিদ্যালয় বিজ্ঞান প্রদর্শনী ও সেমিনারের (হাঁসখালি ব্লক বিজ্ঞান সভা-২০২৬ এবং বিজ্ঞানভিত্তিক প্রদর্শনী) আয়োজন করা হয়। ১১ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীতে এলাকার ১৫টি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কার, মডেল ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে সেই প্রদর্শনীর মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরেছে পড়ুয়ারা।
মডার্ন ফিজিক্স থেকে অটোমেশন- বিভিন্ন বিষয়ের মডেল

প্রদর্শনীতে ৩০টি বিজ্ঞানভিত্তিক মডেল ছিল। এর মধ্যে মডার্ন ফিজিক্স, অটোমেশন, রোবোটিক্স, মোশন সেন্সর, মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রযুক্তির মতো আধুনিক বিষয় যেমন ছিল, তেমনই ছিল জীববিদ্যা, ভূগোল এবং পরিবেশবিজ্ঞানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান। প্রদর্শনীতে ছিল বিএসএফ ক্যাম্পও। বিস্তারিত ভিজ্যুয়াল ও ওরাল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নিজেদের নিজেদের বিষয় উস্থাপন করে পড়ুয়ারা।
কী বললেন স্থানীয় বিধায়ক?
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট উত্তর-পূর্ব বিধানসভার বিধায়ক অসীম বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞান মনস্কতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আগামিদিনে হাঁসখালি ও সংলগ্ন এলাকায় বিজ্ঞান চেতনার সার্বিক প্রসারে এই সময়োপযোগী আয়োজন এক উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
সেই কর্মসূচি নিয়ে প্রজ্ঞা অন্বেষণ পরিষদের সভাপতি তন্ময় বিশ্বাস বলেন, ‘বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয় প্রশ্ন করার মধ্য দিয়ে। একটি শিশু যখন কেন প্রশ্ন করে, তখনই তার বিজ্ঞানচর্চার সূচনা হয়। আমাদের লক্ষ্য সেই প্রশ্ন করার সাহসকে উৎসাহিত করা।’ একইসুরে পরিষদের চেয়ারম্যান প্রশান্ত বিশ্বাস ও সেক্রেটারি অপূর্ব বিশ্বাসরা জানিয়েছেন, বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্মই আগামী দিনের শক্তিশালী সমাজ গড়তে পারে। ছাত্রছাত্রীরা শুধু বইয়ের উত্তর মুখস্থ করবে না- তারা প্রশ্ন করবে, পরীক্ষা করবে, ভুল থেকে শিখবে এবং নিজের চিন্তা দিয়ে নতুন কিছু আবিষ্কারের চেষ্টা করবে।
{{/usCountry}}সেই কর্মসূচি নিয়ে প্রজ্ঞা অন্বেষণ পরিষদের সভাপতি তন্ময় বিশ্বাস বলেন, ‘বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয় প্রশ্ন করার মধ্য দিয়ে। একটি শিশু যখন কেন প্রশ্ন করে, তখনই তার বিজ্ঞানচর্চার সূচনা হয়। আমাদের লক্ষ্য সেই প্রশ্ন করার সাহসকে উৎসাহিত করা।’ একইসুরে পরিষদের চেয়ারম্যান প্রশান্ত বিশ্বাস ও সেক্রেটারি অপূর্ব বিশ্বাসরা জানিয়েছেন, বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্মই আগামী দিনের শক্তিশালী সমাজ গড়তে পারে। ছাত্রছাত্রীরা শুধু বইয়ের উত্তর মুখস্থ করবে না- তারা প্রশ্ন করবে, পরীক্ষা করবে, ভুল থেকে শিখবে এবং নিজের চিন্তা দিয়ে নতুন কিছু আবিষ্কারের চেষ্টা করবে।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: শিল্পে নতুন ছবির দাবি, শুভেন্দু সরকারের আমলে একের পর এক বিনিয়োগের বার্তা বাংলায়
বিজ্ঞান প্রদর্শনীর পাশাপাশি একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বিষয়বস্তু ছিল, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে মানুষ কী হেরে যাবে তবে?’ বর্তমান বিশ্বে এআইয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং মানুষের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করেন শিক্ষক সৈকত ঘোষ। সেইসঙ্গে স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতার তাৎপর্য এবং বর্তমান যুগে তার প্রাসঙ্গিকতা স্মরণ করে বক্তব্য পেশ করেন শিক্ষক সত্যব্রত ভট্টাচার্য।
আর প্রদীপকুমার বিশ্বাস, অসিত সিকদার, বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের মতো শিক্ষকদের উপস্থিতিতে ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কুমকুম ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয় পরিবারের জন্য আজ এক অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের দিন। আমরা বিশ্বাস করি, এই ধরণের ছোটো-ছোটো উদ্যোগ ও সুযোগগুলোই শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করবে এবং তাদের মনের কোণে বিজ্ঞান মনস্কতার আলো পৌঁছে দেবে।’