Terrorist Hamim's Friend Arpita Sarkar: শুক্রবার গ্রেফতার করা হয় সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি মহম্মদ হামিম মণ্ডলকে। কয়েক ঘণ্টা পরই হামিমের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে গ্রেফতার করা হল। রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে অর্পিতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একাধিক সামগ্রী। এসটিএফ সূত্রে খবর, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হানিট্র্যাপ করে অপহরণের 'অ্যাসাইমেন্ট' দেওয়া হয়েছিল অর্পিতাকে। তার সঙ্গে একাধিক পাকিস্তান জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগসূত্র মিলেছে।
হানিট্র্যাপের 'জাল' হিসেবে অর্পিতাকে ব্যবহার করা হত

এসটিএফ সূত্রে খবর, জেরার মুখে সন্দেহভাজন জইশ হামিম জঙ্গি জানিয়েছে যে হানিট্র্যাপের 'জাল' হিসেবে অর্পিতাকে ব্যবহার করা হত। টার্গেটের তালিকায় ছিলেন রাজনৈতিক দিক থেকে প্রভাবশালী ব্যক্তি, আমলারা। তাঁদের হানিট্র্যাপ করে সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ারই ছক ছিল বলে জেরায় জানিয়েছে হামিম। ইতিমধ্যে কাউকে এরকমভাবে ফাঁসানো হয়েছিল নাকি, সম্ভাব্য টার্গেটের তালিকায় কারা কারা ছিলেন, তা অর্পিতাকে জেরা করে বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করা হবে বলে এসটিএফ সূত্রে খরর।
জেরার জন্য অর্পিতাকে আজ আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজত চাওয়া হবে। শুক্রবার রাতেই গ্রেফতার করার পরে তাকে বর্ধমান থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। একটু পরেই পেশ করা হবে আদালতে। এসটিএফ সূত্রে খবর, হামিমের মতোই অর্পিতার ক্ষেত্রে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।
পাক জঙ্গি-যোগ নিয়ে হামিমকে জেরা
এমনিতে শুক্রবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হামিমকে আদালতে পেশ করা হয়। এসটিএফের তরফে সওয়াল করা হয়, পাকিস্তানের বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী এবং পশ্চিমবঙ্গে ওই নেটওয়ার্কের গতিবিধি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের প্রয়োজন আছে। যে আর্জি মঞ্জুর করা হয়েছে। তারপর বিস্তারিত তদন্ত এবং জেরার জন্য তাকে আনা হয়েছে কলকাতায়।
{{/usCountry}}এমনিতে শুক্রবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হামিমকে আদালতে পেশ করা হয়। এসটিএফের তরফে সওয়াল করা হয়, পাকিস্তানের বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠী এবং পশ্চিমবঙ্গে ওই নেটওয়ার্কের গতিবিধি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের প্রয়োজন আছে। যে আর্জি মঞ্জুর করা হয়েছে। তারপর বিস্তারিত তদন্ত এবং জেরার জন্য তাকে আনা হয়েছে কলকাতায়।
{{/usCountry}}ISI-র লোক ও সাজিদ ভাট্টির নেটওয়ার্ক
প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, বছরখানেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে পরিচিত হয়েছিল হামিমের। জেরার সময় হামিম জানিয়েছে, অনলাইনে একজন নিজেকে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের লোক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। আর বাকিরা দাবি করেছিল যে নিজেদের শাহজাদ ভাট্টির নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগ আছে।
মগজধোলাই করা হয়েছিল হামিমকে
যে ভাট্টি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে সীমান্তে মাদক পাচার, বেআইনি অস্ত্র পাচারের অভিযোগ আছে। সেইসঙ্গে পাকিস্তানের ছত্রছায়ায় ভারতে সন্ত্রাসবাদ ছড়াতেও অর্থের জোগান দেয় বলে মনে করে বিভিন্ন এজেন্সি। এসটিএফের অনুমান, পশ্চিমবঙ্গে একটি গুপ্তচরবৃত্তির চক্র গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়ার আগে এনক্রিপ্টেড অনলাইন কথোপকথনের মাধ্যমে হামিমকে ধীরে-ধীরে মগজধোলাই করা হয়েছিল।