Bengal Govt Schools New Syllabus: পশ্চিমবঙ্গ তৈরির ইতিহাস থেকে পূর্ববঙ্গ (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে শরণার্থীদের আগমন- নয়া সিলেবাসে এরকমই সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হল। স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন জানিয়েছেন, সিঙ্গুর আন্দোলন মোটেও ইতিহাস নয়। সেটা সিলেবাস থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। বরং ইতিহাসের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর অবদানকে। যা বিগত সরকার চেপে রাখার সবরকম চেষ্টা করেছে। ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের ইতিহাস, ১৯৪৭ সালের পরে পূর্ববঙ্গে কী হয়েছিল যে প্রচুর পরিমাণে শরণার্থী এসেছিলেন, কীভাবে পুরো বিষয়টি সামলেছিল কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার, সেইসব ঘটনা ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে থাকা উচিত বলে জানিয়েছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী।
২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে সিলেবাসে আমূল পরিবর্তন

আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন নয়া সিলেবাস কমিটির প্রথম বৈঠকের পরে। স্কুল শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আপাতত যে পাঠ্যবই আছে, তাতে কিছুটা পরিবর্তন হবে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে। আর আমূল পরিবর্তনের পরে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে নয়া পাঠ্যক্রম চালু হবে। যা ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে চলবে বলে জানিয়েছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী।
'সিলেবাস কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করবে'
সেইসঙ্গে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে সিলেবাস কমিটি নিরপেক্ষ এবং স্বাধীনভাবে কাজ করবে। কোনওরকম রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত নয়া সিলেবাস তৈরি করবে। যাতে পশ্চিমবঙ্গের স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে। তাঁর কথায়, 'আমরা এমন একটি শিক্ষাক্রম প্রণয়নের পক্ষে, যার লক্ষ্য হবে পরবর্তী প্রজন্মের মানসিক বিকাশ ও উন্নয়ন।'
‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত হবে সিলেবাসে’
{{/usCountry}}‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত হবে সিলেবাসে’
{{/usCountry}}এমনিতে নয়া সিলেবাসে কী কী থাকবে, তা নিয়ে চূড়ান্ত কিছু জানানো হলেও শ্যামাপ্রসাদের জীবনী যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তাতে কার্যত সিলমোহর পড়ে গিয়েছে। কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে বৈঠকে যোগ দেওয়ার পরে ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায় জানিয়েছেন, পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদের কাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর ‘পাঠ্যবই থেকে সিঙ্গুর আন্দোলনের মতো গুরুত্বহীন বিষয়গুলি’ সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথাগত।