...
...
Next Story

Taslima Nasrin on Leftists: ‘মুসলিমদের অন্ধকারে রাখতে চায়’, বামেদের নিশানা তসলিমার, নিজেদের মেয়েদের বেলায়…..

Taslima Nasrin on Leftists: ‘মুসলিমদের অন্ধকারে রাখতে চায় বামেদের একাংশ' - কলকাতায় দাঁড়িয়ে নিশানা করলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তাঁকে বামেদের আমলেই কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল। তবে শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন যে লেখিকার নিরাপত্তার দায়িত্ব তাঁর।

Published on: Aug 2, 2026, 08:32:17 IST
Advertisement

Taslima Nasrin on Leftists: ইসলামি উগ্রপন্থীদের সঙ্গে বামপন্থীদের একাংশকে একইসারিতে বসালেন তসলিমা নাসরিন। তিনি অভিযোগ করেন, মুসলিম সমাজকে অন্ধকারে রাখতে চায় বামেদের একাংশ। কেউ যদি সেই অচলায়তন ভাঙতে চান, তাহলে তাঁদের মুসলমান-বিদ্বেষী আখ্যা দিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন লেখিকা। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ওই তথাকথিত প্রগতিশীল বামপন্থীরা নিজের বা নিজের পরিবারের ক্ষেত্রে বেছে নেন আধুনিকতা। মুসলিমদের ঠেলে দেন মধ্যযুগীয় বিধানের দিকে। নিজেদের মেয়ের অধিকারকে স্বাধীনতা বলে চিহ্নিত করেন। অথচ মুসলিম মেয়েদের পরাধীনতাকে সংস্কৃতি বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে বিরক্তিপ্রকাশ করেছেন তসলিমা।

‘মুসলিমদের অন্ধকারে রাখতে চায় বামেদের একাংশ’, তোপ তসলিমার

কলকাতায় লেখিকা তসলিমা নাসরিন। (ছবি সৌজন্যে, সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)
কলকাতায় লেখিকা তসলিমা নাসরিন। (ছবি সৌজন্যে, সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)

তাঁর কথায়, ‘মুসলিম সমাজকে অন্ধকারে রাখতে শুধু ইসলামি উগ্রপন্থীরাই সক্রিয় নয়, তথাকথিত প্রগতিশীল এবং বামপন্থীদের একটি অংশও এই অচলাবস্থাকে রক্ষা করে। নিজেরা বাকস্বাধীনতা ও নারী-পুরুষের সমানাধিকার ভোগ করেও ইসলামের সমালোচক এবং সংস্কারকদের তাঁরা মুসলমান-বিদ্বেষী আখ্যা দেন।’

আরও পড়ুন: Greater Kolkata Ingrastructure Plan: বৃহত্তর কলকাতাকে চেনাই যাবে না! রিং রোড, এলিভেটেড করিডোর-সহ 'ভিশন ২০৪৭'-র নকশা

তসলিমা নাসরিন উদাহরণ দেন রাজা রামমোহন রায়ের

সেই রেশ ধরে রাজা রামমোহন রায়ের প্রসঙ্গ টেনে এনে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তসলিমা। তিনি জানান, মুসলিম মহিলাদের অধিকার নিয়ে মুখ খোলায় তাঁকে কীভাবে আক্রমণের মুখে পড়তে হয়। শুনতে হয় কটাক্ষ।

আরও পড়ুন: Bengal Govt Health Scheme Rules: কারা কারা 'মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’-রও সুযোগ পাবেন না? শর্ত জানাল রাজ্য

আরও পড়ুন: Bengal Unrecognised Madrasas Report: বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে স্বীকৃতিহীন মাদ্রাসার সংখ্যা বেশি, টাকার উৎস নিয়ে তদন্ত?

'নিজের মেয়ের বেলায় স্বাধীনতা, মুসলিমদের বেলায় সংস্কৃতি?'

সেইসঙ্গে বামপন্থীদের একাংশ এবং উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতারও অভিযোগ তুলেছেন তসলিমা। তিনি বলেছেন, ‘যাঁরা নিজেদের জন্য আধুনিকতা চান, কিন্তু মুসলিম সমাজের চান মধ্যযুগীয় বিধান, তাঁরা মুসলমানের সবথেকে শত্রু। যাঁরা নিজেদের মেয়েদের অধিকারকে স্বাধীনতা বলেন, কিন্তু মুসলিম মেয়ের পরাধীনতাকে সংস্কৃতি বলেন, তাঁরা মোটেও প্রগতিশীল নন।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe