Dilip Ghosh on Argentina Match: বিশ্বকাপের নক-আউটের শুরুতেই আর্জেন্টিনার খেলা দেখে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন অসংখ্য ভক্ত। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জিতে ‘রাউন্ড অফ ১৬’-তে পৌঁছে গেলেও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের খেলার মধ্যে মরচে ধরা ব্যাপারটা ছিল, তা উদ্বিগ্ন পড়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আর্জেন্টিনার ফ্যানরা। অনেকের মতে, আগামী ম্যাচগুলিতে যদি অনেকটা উন্নতি না করা যায়, তাহলে আর্জেন্টিনার কপালে দুঃখ আছে। আর সেই ম্যাচগুলির কথা ভেবেই উদ্বেগ কাটছে না লিওনেল মেসির দলের সমর্থকদের। যে উদ্বেগের রেশটা ধরা পড়ল পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের গলাতেও। তিনি জানালেন, নক-আউটের প্রথম ম্যাচের আর্জেন্টিনার যা পারফরম্যান্স, তা যথেষ্ট চিন্তার।
আর্জেন্টিনাকে খুব শক্তিশালী মনে হচ্ছিল, দাবি দিলীপের

শনিবার সকালে দিলীপ দাবি করেন, ফুটবল বিশ্বকাপে প্রতিবারই কোনও না কোনও অঘটন ঘটে থাকে। আর্জেন্টিনাকে নিয়ে তাঁর অনেক আশা ছিল। কিন্তু অনামী, অজানা একটা দেশ এসে যে মেসিদের দলকে আটকে দিচ্ছে, তা বেশ চিন্তার বিষয় বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। সেইসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে দিলীপ বলেন যে আর্জেন্টিনার অবস্থা এখন ঘাসফুল শিবিরের মতো।
কেপ ভার্দের ভূয়সী প্রশংসায় দিলীপ
তবে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্সে উদ্বিগ্ন হওয়ার পাশাপাশি কেপ ভার্দের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দিলীপ। পঞ্চায়েত মন্ত্রী দাবি করেছেন, যতই অনামী বা অজানা দল হিসেবে কেপ ভার্দেকে দেখা হোক না কেন, দেশটা বিশ্বকাপেের মূলপর্বে পৌঁছেছে। ফলে হেলাফেলা করা যায় না আফ্রিকার ছোটো দ্বীপরাষ্ট্রকে। সেইসঙ্গে পঞ্চায়েত মন্ত্রী জানান, এরকমভাবেই নতুন-নতুন দেশ উঠে আসুক। তাহলেই খেলার আরও প্রসার হবে বলে আশাবাদী দিলীপ।
আর্জেন্টিনার জয়ের দিন মহাকাব্য লিখল কেপ ভার্দে
{{/usCountry}}আর্জেন্টিনার জয়ের দিন মহাকাব্য লিখল কেপ ভার্দে
{{/usCountry}}এমনিতে ‘রাউন্ড অফ ৩২’-তে আর্জেন্টিনা যখন কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নামবে বলে ঠিক ছিল, তখন অনেকেই ভেবেছিলেন যে ম্যাচটা একেবারে সহজ হবে। কিন্তু নিজেদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে খেলা কেপ ভার্দের খেলোয়াড়রা সেটা হতে দেননি। মেসির গোলে শুরুতেই আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেলেও সমতা ফেরায় দ্বীপরাষ্ট্র। তার ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের শেষে খেলার ফল ছিল ১-১।
ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়। আর এক্সট্রা টাইমের শুরুতেই আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায়। তারপরও হাল ছাড়েনি ভোজিনহা, সিডনি কাবরালদের দল। ১০৩ মিনিটে ‘বিশ্বকাপের সেরা গোলে’ সমতায় ফেরান কাবরালই। কিন্তু ১১১ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয় কার্বো ভার্দের। তারপরও অবশ্য মাথা উঁচু মাঠ ছেড়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা। তাঁদের প্রশংসা করেছেন স্বয়ং মেসিই।