Suvendu Adhikari on Muslim Vote: ‘এখনও ব্রেকফাস্টই হয়নি, লাঞ্চ বাকি’, মুসলিমদের নিয়ে বললেন শুভেন্দু, খোঁচা মমতাকে
Suvendu Adhikari on Muslim Vote: রেজিনগর মুসলিম-অধ্যুষিত বিধানসভা আসন। সেখানেও ৭৫,০০০-র বেশি ভোটে জিতেছে বিজেপি। আর তারপরই বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আবার খোঁচা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।
Suvendu Adhikari on Muslim Vote: ‘এখনও ব্রেকফাস্টই হয়নি, লাঞ্চ বাকি আছে’ - নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে জয়ী বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করলেন, বিজেপিকে শুধুমাত্র হিন্দুদের দল বা সাম্প্রদায়িক দল বলা হত। কিন্তু সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরেও বিজেপি প্রার্থী শাখারত সরকার ৭৫,০০০-র বেশি ভোটে জিতেছেন। সেটা থেকেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে যে সংখ্যালঘুরাও বিজেপির উপরে আস্থা রাখছেন। মাত্র ছয় মাসেই সকলের আস্থা অর্জন করে নিয়েছে বিজেপি সরকার। আর আগামিদিনেও সরকার সকলকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু।

‘সকালবেলা চা-বিস্কুটের সময় দেখছেন’, বললেন শুভেন্দু
আজ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘এ তো সকালবেলার ব্রেকফাস্ট হচ্ছে সরকারের। এখনও সাড়ে চার বছর আমরা যাব - ৫৪ মাস। ছয় মাসে যেটা দেখছেন, সেটা সকালবেলা চা-বিস্কুটের সময় দেখছেন। এখনও ব্রেকফাস্ট হয়নি। লাঞ্চ বাকি আছে। দেখতে থাকুন, আমরা কীভাবে এগিয়ে যাই।’
'রেজিনগরের ৩৫,০০০ সংখ্যালঘু মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন'
সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, এতদিন বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক দল বলে অনেকে রাজনীতি করে খেয়েছেন। কিন্তু রেজিনগর তাঁদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে। মুর্শিদাবাদের ওই বিধানসভা কেন্দ্রের ৭০,০০০ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৫,০০০ মহিলাই সংখ্যালঘু বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
‘বয়স প্রায় ৭৫, এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়ার কথা’, খোঁচা শুভেন্দুর
তারইমধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়েছেন শুভেন্দু। নাম না করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ‘বিশ্রাম’ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। শুভেন্দুর কথায়, 'আমি নন্দীগ্রামের মানুষকে ধন্যবাদ জানাব। তাঁরা অভিমান নিয়ে আমায় বলেছিলেন, আপনি ভবানীপুর ছাড়তে পারতেন। আমি তাঁদের বলেছি বুঝিয়ে যে ভবানীপুর ছাড়লে যিনি আমার কাছে দু'বার হেরেছেন, তিনি হয়তো আবার দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেতেন। তাই সেই সুযোগটা না দেওয়াই ভালো। এই বয়সে ওঁর আর (ভোটে) না দাঁড়ানোই ভালো। অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে - ৭৫ প্রায়। এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়ার কথা। সেই কারণে আমি নন্দীগ্রামই ছেড়ে দিয়েছি।
আর শুভেন্দুর সেই কথা শুনে হাসতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। হেসে ফেলেন নন্দীগ্রামের নবনির্বাচিত বিধায়ক হাসিরানি রথও। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন যে ছেলের হত্যার বিচার পাবেন। তদন্তের জাল অনেকটাই গুটিয়ে আনা হয়েছে। খুনের বরাত হিসেবে দু'কোটি টাকা কোথা থেকে এসেছিল, সেটা জানতে পারলেই তদন্ত শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


