TMC feud latest update: তৃণমূল কংগ্রেস আসলে কার? তা নিয়ে সংঘাত যখন চরমে উঠেছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরকে পৃথক-পৃথক নোটিশ পাঠাল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, কমিশনের তরফে বলা হয়েছে যে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন এবং অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী সংক্রান্ত বিষয়ে দু'পক্ষ যেন নিজেদের দাবি পেশ করে। আগামী সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে তাঁদের জবাব পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। আর সেই ঘটনার পরে মমতা বা ঋতব্রত শিবিরের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
‘নকলদেরই বুক চাপড়ে বলতে হয় যে তারা আসল’

তবে আজ বিকেলেই মমতা শিবিরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আপনারা বলছেন, ওরা (ঋতব্রতরা) বলতে গিয়েছে যে ওরা আসল তৃণমূল। যারা নকল, তাদের রাস্তায় বসে বুকে মেরে-মেরে বলতে হয় যে আমরা আসল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো কোথাও যাননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো কালীঘাটেই আছেন। আমরাও এখানে আছি। আমাদের তো বাইরে যেতে গিয়ে হলফনামা দিতে হচ্ছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত খারাপ সময় আসেনি যে ভ্যানিশ কুমারের কাছে ওঁকে বলতে হবে যে আমরা আসল তৃণমূল কংগ্রেস।’
‘আমরাই তো তৃণমূল কংগ্রেস’, সাফ কথা ঋতব্রতের
আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন ঋতব্রতরা কমিশনে গিয়ে বৈঠক করার পরে। বৃহস্পতিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং দুই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করেছে। তারপর ঋতব্রত বলেন, ‘প্রতীকের প্রশ্ন, তহবিলের প্রশ্ন কোথা থেকে আসছে, জানি না। কারণ আমরাই তো তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সন অরূপ রায়ের নেতৃত্বে আমরা ১০ জন আজ নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেছি। আমরা নিজেদের বিষয় তুলে ধরেছি। আমরা আশাবাদী যে শীঘ্রই আমাদের জানাবে নির্বাচন কমিশন।’
ঋতব্রতদের সঙ্গে দেখা করাই উচিত নয় কমিশনের, দাবি কালীঘাটের
{{/usCountry}}ঋতব্রতদের সঙ্গে দেখা করাই উচিত নয় কমিশনের, দাবি কালীঘাটের
{{/usCountry}}যদিও মমতাপন্থী তথা কালীঘাট শিবিরের তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে যে ঋতব্রতদের কমিশনে যাওয়ার অধিকারই নেই। রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দলের স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই কমিশানের সঙ্গে দেখা করতে বা চিঠি দিতে পারেন। অথচ আজ এমন একটি গোষ্ঠীকে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’
একইসুরে লোকসভার সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, 'তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অথচ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিষয়ে কোনও অনুমোদন দেননি। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত অস্বাভাবিক।'
অমিত শাহের হাত আছে, বিস্ফোরক সাগরিকা
আর সেই পুরো ঘটনার পিছনে বিজেপির হাত আছে বলে অভিযোগ করেছেন সাগরিকা। তিনি অভিযোগ করেছেন, 'আজ দেশের সামনে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে না। বিজেপি এবং বিশেষ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নির্বাচন কমিশনকে পরিচালনা করছেন।