...
...
Next Story

Mamata's jail challenge: ‘আমায় জেলে পাঠিয়ে দিন, জেল থেকেই বেশি ভোট পাব, নাহলে গুলি করুন’, হুংকার মমতার

Mamata's jail challenge: ‘আমায় জেলে পাঠিয়ে দিন, জেল থেকেই বেশি ভোট পাব, নাহলে গুলি করুন’, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্গাপুরের জনসভা থেকে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।

Published on: Apr 13, 2026, 21:40:10 IST
Advertisement

Mamata's jail challenge: দুর্গাপুর থেকে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্গাপুর পশ্চিমের চতুরঙ্গ ময়দানের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বলেন, 'সারা বিশ্ব এখন বিজেপি নেতাদের চরিত্র জেনে গিয়েছে। যদি গায়ের জোরে ভোট জিততে চান, তবে আমায় জেলে পাঠান- আমি জেল থেকেই আরও বেশি ভোট পাব। নয়তো আমায় গুলি করুন। আপনারা নারী-বিরোধী। আপনারা সংবাদমাধ্যমকে কিনে নিয়েছেন এবং তারাই আপনাদের হয়ে প্রচার চালাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমে দেখানো সার্ভেগুলো বিজেপি নিজেই তৈরি করে এবং সেগুলো দেখানোর জন্য ভয় দেখানো হয়। আপনারা কারও কাছ থেকে বিচার পাবেন না, আমি ছাড়া সবাই বিক্রি হয়ে গিয়েছে। দিল্লির শক্তিদের মনে রাখা উচিত, যদি তারা অত্যাচার করে, তবে আমাদের মা-বোনেদের কাছে আগে জবাব দিতে হবে। এটা বিহার বা উত্তরপ্রদেশ নয় যে আপনারা বুলডোজার চালাবেন বা এনকাউন্টার করবেন। এটা বাংলা।'

বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

আরও পড়ুন: WB Monsoon 2026 Rain Forecast: বর্ষা নিয়ে খারাপ খবর! কম বৃষ্টি হবে বাংলা-সহ ভারতে, সেকেন্ড হাফে ‘খেলা’ ঘুরবে?

‘আমি কখনও বাংলাকে ছেড়ে যাইনি’, আস্থা মমতার

সেই রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমি লড়াই করতে ভয় পাই না। আমাদের উপর অনেক আক্রমণ হয়েছে এবং সবকিছুই একতরফাভাবে করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও আমি রাজ্যের প্রতিটি কোণায় যাচ্ছি, মানুষের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছি। মনে রাখবেন, আমি বছরের ৩৬৫ দিনই আপনাদের সঙ্গে থাকি। আমার ব্যক্তিগত কোনও লাভ নেই, আমি কখনও বাংলাকে ছেড়ে যাইনি আর ভবিষ্যতেও যাব না।'

আরও পড়ুন: Tribunal applicants voting rights: ট্রাইবুনালে আবেদনকারীররা ভোট দিতে পারবেন এবার নির্বাচনে? বলে দিল সুপ্রিম কোর্ট

‘মোটা ভাই ভাবছেন ভয় দেখিয়ে ভোট জিতবেন', হুংকার মমতার

আরও পড়ুন: PPF Pension Planning: PPF-তে কীভাবে বিনিয়োগ করলে মাসে ৬১,০০০ টাকা পেনশন মিলবে? রইল পুরো হিসাব

‘বাংলাকে দখল করতে দেব না’, হুংকার মমতার

সেইসঙ্গে ভোটারদের সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'খুব সতর্ক থাকুন। ট্রেনে করে বাইরে থেকে লোক আনা হবে ভোট লুঠ করার জন্য। কেন্দ্রীয় বাহিনী আপনাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করতে পারে। কেউ ভয় দেখালে এফআইআর করুন। ভোটের পর কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। আমরা জোর করে বাংলাকে দখল করতে দেব না। সুপ্রিম কোর্টও একসময় ইডি-সিবিআইকে কেন্দ্রের পুতুল বলেছিল।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe