Shibpur IIEST and Jadavpur University: নয়া IIT পাবে বাংলা? শিবপুরের IIEST নিয়ে প্রস্তাব রাজ্যের, JU নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত
Shibpur IIEST and Jadavpur University: পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’-কে (IIEST) আইআইটি করতে চায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
Shibpur IIEST and Jadavpur University: দেশের অন্যতম প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’-কে (IIEST) আইআইটি করতে চায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শিবপুরের এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানকে আইআইটিকে করতে চেয়ে মর্যাদা দেওয়ার জন্য খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠাতে চলেছে রাজ্য। সোমবার কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে স্বয়ং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই তথ্য জানিয়েছেন।

অতীতেও একাধিকবার সেই প্রস্তাব উঠেছিল, জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সোমবার জানান, আইআইইএসটিকে আইআইটি করার প্রস্তাব বহু বছর আগেই উঠেছিল। তবে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক স্তরে মতপার্থক্যের কারণে তৎকালীন রাজ্য সরকার সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানায়নি। ফলস্বরূপ, প্রতিষ্ঠানটি আইআইটি-র তকমা থেকে বঞ্চিত হয় এবং পরবর্তীতে এটি কেন্দ্রীয় অর্থায়নে চালিত ‘IIEST’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
তবে রাজ্যে পালাবদলের পরে সরকারের অবস্থান বদলেছে। বর্তমান রাজ্য সরকার অতীতের সেই সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করে এবার শিবপুর আইআইইএসটিকে পূর্ণাঙ্গ আইআইটি রূপে গড়ে তোলার জন্য কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব জমা দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করছে।
সেই পদক্ষেপ নিয়ে কী বলছেন IIEST?
আর রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শিবপুর আইআইইএসটির ডিরেক্টর ভি. এম. এস. আর. মূর্তি। তিনি অত্যন্ত আশাবাদী হয়ে জানিয়েছেন, আইআইটির মর্যাদা পেলে এক নয়া উচ্চতায় পৌঁছে যাবে। আইআইটি হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, পর্যাপ্ত সম্পদ এবং বিশ্বমানের পরিকাঠামো রয়েছে। শিক্ষাবিদদের মতে, এই তকমা পেলে ওই প্রতিষ্ঠান আরও বেশি কেন্দ্রীয় অনুদান পাবে এবং দেশ-বিদেশের সেরা প্রতিভাদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।
যাদবপুরের ‘ইনস্টিটিউট অফ এমিনেন্স’ তকমা নিয়েও বড় আপডেট
তারইমধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েও বড় খবর শুনিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি জানান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘ইনস্টিটিউট অফ এমিনেন্স’ তকমা দেওয়া এবং সেই সংক্রান্ত বিশেষ কেন্দ্রীয় তহবিল বরাদ্দের প্রস্তাব ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্র এই বিষয়ে অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করছে এবং খুব দ্রুতই একটি ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


