উৎসশ্রী পোর্টালের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের সাধারণ বদলি বন্ধ রাখার মেয়াদ বাড়ানো হল। রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত উৎসশ্রী পোর্টালের মাধ্যমে শিক্ষকদের সাধারণ বদলি বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে মিউচুয়াল ট্রান্সফার বা আপস বদলির বিষয়টি বহাল রাখা হচ্ছে বলে স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। রাজ্যের তরফে আপাতত যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, তাতে শুধুমাত্র বলা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষকদের কথা। যদিও সংশ্লিষ্ট মহলের আশঙ্কা, অচিরেই রাজ্যের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একইরকম বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

উল্লেখ্য, রাজ্যের সরকারি এবং সরকার-পোষিত স্কলের শিক্ষকদের বদলির সুবিধার্থে উৎসশ্রী পোর্টাল চালু করা হয়। কিন্তু বছরখানেক পার হতে না হতেই সেই পোর্টালের মাধ্যমে বদলির বিষয়টি বন্ধ হয়ে যায়। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকের অভাবের জেরে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারইমধ্যে ২০২৫ সালের গোড়ার দিক থেকে মিউচুয়াল ট্রান্সফার চালু করার পথে হাঁটে স্কুলশিক্ষা দফতর। তবে বন্ধ রাখা হয় সাধারণ বদলি। আর বছর শেষ হওয়ার আগে সাধারণ বদলির মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দেওয়া হল।
আর রাজ্যের সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের গোড়ার দিক থেকে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের মিউচুয়াল ট্রান্সফার চালু করা হয়েছিল। কিন্তু স্রেফ খাতায়কলমে সেটা চালু ছিল। শেষ এক বছরে মিউচুয়াল ট্রান্সফার করা হয়নি। অবিলম্বে নিদেনপক্ষে মিউচুয়াল ট্রান্সফার চালু করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক।
আরও পড়ুন: Singur New Project: সিঙ্গুরে নয়া অধ্যায়! ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রকল্পে অনুমোদন মমতা-মন্ত্রিসভার
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: Singur New Project: সিঙ্গুরে নয়া অধ্যায়! ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রকল্পে অনুমোদন মমতা-মন্ত্রিসভার
{{/usCountry}}তাঁর কথায়, ‘মিউচুয়াল ট্রান্সফার ছাড়া জেনারেল ট্রান্সফার বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করে দেওয়া হল। অথচ এ বছরের প্রথম থেকে মিউচুয়াল ট্রান্সফার প্রক্রিয়া চালুর কথা নোটিশ দিয়ে চালুর কথা বলা হলেও বাস্তবে তা চালু করা হয়নি। যেটা চালু রয়েছে, সেটাই বাস্তবায়িত হয়নি। অতি দ্রুত বাস্তবে তা চালু করা হোক।’
আরও পড়ুন: JU Hijab Row: 'পরীক্ষার সময় হিজাব খুলতে বলা হয়', বিতর্ক যাদবপুরে, অধ্যাপক বললেন ‘চিটিং হচ্ছিল’