WB Strong Room Controversy: স্ট্রংরুমে ইভিএমের কারচুপি হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। তা নিয়ে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ধরনায় বসেছেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের শাসক দলের প্রার্থী শশী পাঁজা। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে যাচ্ছেন বলে ঘাসফুল শিবিরের তরফে জানানো হয়েছে। যিনি ইতিমধ্যে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম (যেখানে ইভিএম রাখা হয়েছে) শেখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছে গিয়েছেন। বৃষ্টির মধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইভিএম যে সুরক্ষিত আছে, তা সব প্রার্থীকেই দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
‘বাংলার গণতন্ত্র কি আজ বিপন্ন?' নিশানা তৃণমূলের

তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘বাংলার গণতন্ত্র কি আজ বিপন্ন? নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর আসছে। অভিযোগ উঠছে, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেই ব্যালট বক্স খোলার বেআইনি চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের একাংশ। মানুষের রায় কি তবে অন্ধকারে বদলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে?’
দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার বার্তা তৃণমূলের
সেইসঙ্গে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, 'বাংলার মানুষের পবিত্র রায়কে নিয়ে কোনও ছিনিমিনি বরদাস্ত করা হবে না। প্রতিটি ভোট পাহারা দেওয়া হবে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন আর বিজেপির এই অশুভ আঁতাত আমরা ভেস্তে দেবই! সজাগ থাকুন, সতর্ক থাকুন। গণতন্ত্র লুঠ হতে দেবেন না!'
সব সুরক্ষিত ও সিল আছে, স্পষ্ট করল কমিশন
{{/usCountry}}সব সুরক্ষিত ও সিল আছে, স্পষ্ট করল কমিশন
{{/usCountry}}যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে সমস্ত ইভিএম সুরক্ষিত আছে। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভায় স্ট্রং রুম রয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট এবং সাধারণ পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে যথাযথভাবে বন্ধ ও সিল করা হয়েছে। সর্বশেষ স্ট্রংরুম সিল করা হয় ভোর ৫ টা ১৫ মিনিটের দিকে। ইভিএম থাকা সমস্ত স্ট্রংরুম নিরাপদে সুরক্ষিত এবং তালাবদ্ধ রয়েছে।
সেইসঙ্গে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, একই চত্বরের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি পৃথক স্ট্রংরুম রয়েছে, যেখানে বিধানসভা-ভিত্তিক ভোট দেওয়া ব্যালট, যার মধ্যে ভোটকর্মী এবং ইটিবিপিএস থেকে প্রাপ্ত ব্যালটও রয়েছে। সমস্ত পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারদের (আরও) জানানো হয়েছিল। রিটার্নিং অফিসাররা পরবর্তীতে ইমেলের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে অবহিত করেন। বিকেল ৪ টা থেকে স্ট্রংরুম চত্বরের করিডোরে পোস্টাল ব্যালটগুলো আলাদা করার কাজ করা হয় এবং মূল স্ট্রংরুমগুলো সব সময় নিরাপদে সিল করা ছিল।