ISKCON on Mid Day Meal: কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ইসকন। সেজন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানালেন কলকাতা ইসকনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং মুখপাত্র রাধারমণ দত্ত। তিনি বলেন, ‘কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল পরিবেশনের দায়িত্ব ইসকনের হাতে দেওয়ার অর্পণ করার জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাই। ইসকনের অন্নামৃত ফাউন্ডেশন মিড ডে মিল কর্মসূচির মাধ্যমে সারা ভারতের সরকারি স্কুলগুলিতে প্রতিদিন ১০ লাখেরও বেশি পুষ্টিকর এবং গরম খাবার পরিবেশন করে থাকে। আমাদের রান্নাঘরগুলিতে ফাইভ-স্টার মানের মানদণ্ড বজায় রাখা হয়। আমরা প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর, গরম ও নিরামিষ খাবার সরবরাহ করি। হরে কৃষ্ণ।’
মিড ডে মিল নিয়ে বড় ঘোষণা বাজেটে

সোমবার রাজ্য বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, কলকাতা পুরনিগম এলাকার স্কুলে পড়ুয়াদের আরও পুষ্টিকর খাবার (মিড ডে মিল) সরবরাহ করার জন্য ইসকনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। সেইসঙ্গে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের জন্য মাথাপিছু ১০ টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ দৈনিক বরাদ্দ ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Falta Model: কথা রাখলেন CM! ভেঙে চুরমার অভিষেকের সাধের গড়, ‘ফলতা মডেল’-র জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ
প্রশংসায় শিক্ষা মহল
সেই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন রাজ্যের শিক্ষক মহল। ওই মহলের মতে, সেই সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়ারা আরও পুষ্টিকর খাবার পাবে। আগামিদিনে প্রাথমিক স্কুলের পাশাপাশি উচ্চ প্রাথমিক স্কুলেও (অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত) যাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়, সেই আর্জি জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক সংগঠন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘প্রাথমিকে মিড ডে মিলে প্রতিটি শিশুর জন্য ১০ টাকা বরাদ্দ হল। এটা বেশ ভালো সিদ্ধান্ত। আপার প্রাইমারিতেও বৃদ্ধি করা হোক।’
সাম্মানিক বৃদ্ধির ঘোষণা
{{/usCountry}}সাম্মানিক বৃদ্ধির ঘোষণা
{{/usCountry}}আবার প্রাথমিক স্কুলে যাঁরা রান্নাকর্মীদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য বাজেটে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘কুক কাম হেল্পার’ বা রান্নাকর্মীদের মাসিক সাম্মানিক বৃদ্ধি পাচ্ছে ১,০০০ টাকা। পাশাপাশি স্কুলেও আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার জোর দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়ারা যাতে বিশুদ্ধ পানীয় জল পায়, স্কুলে ওয়াটার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা হয়, প্রতিটি প্রাথমিক স্কুলে পাখা বসানোর মতো বিষয়গুলির উপরে গুরুত্ব আরোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী।