WB Govt Pensioners Dearness Relief: পেনশনভোগীদের সুখবর! কলকাতায় এখনই বকেয়া DR-র ৫০% টাকা দেবে রাজ্য, বাকিটা কবে?
WB Govt Pensioners Dearness Relief: কলকাতা পুরনিগম এলাকার অন্তর্গত পেনশন প্রাপকদের জন্য সুখবর দিল রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, বাকি বকেয়া ডিয়ারনেস রিলিফ মেটানোর কাজও দ্রুত শুরু হবে।
WB Govt Pensioners Dearness Relief: কলকাতা পুরনিগম এলাকার অন্তর্গত ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন বা ফ্যামিলি পেনশন প্রাপকদের জন্য সুখবর দিল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারি পেনশনভোগী এবং ফ্যামিলি পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিয়ারনেস রিলিফের ৫০ শতাংশ টাকা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়েছে, মূলত ব্যাঙ্কের কাছে সম্পূর্ণ তথ্য ছিল না। আর সেটার অভাবে এই অর্থ প্রদানের বিষয়টি এতদিন আটকে ছিল। এবার সেই জট কাটাতে এবং পেনশনভোগীদের হাতে দ্রুত টাকা পৌঁছে দিতে রাজ্য অর্থ দফতরের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে।

কী কারণে সেই টাকা প্রদানের বিষয়টি আটকে ছিল?
অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল এই বিশাল অঙ্কের বকেয়া টাকা এতদিন ব্যাঙ্কের কাছে থাকা অতীতের পেনশন বিতরণের সঠিক ও নথির অভাবে আটকে ছিল। সরকারি নিয়মে সমস্ত তথ্য যাচাই না করে বকেয়া টাকা দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।
কিন্তু এই জটিলতার কারণে যাতে পেনশনভোগীদের আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে না হয়, সেই দিকটি বিবেচনা করেই রাজ্য সরকার এই বকেয়া ডিআরের ৫০ শতাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলি থেকে অতীতের পেনশনের সম্পূর্ণ বিবরণ যাচাই করার প্রক্রিয়া সমান্তরালভাবে চলতে থাকবে। কিন্তু তার আগে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে এই ৫০ শতাংশ বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে।
বাকি ৫০ শতাংশ বকেয়া কবে মিলবে?
রাজ্য সরকারের একজন শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রশাসনিক বা পদ্ধতিগত বিলম্বের জন্য প্রবীণ পেনশনভোগীদের যাতে আর কষ্ট না পেতে হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। ব্যাঙ্কগুলিকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রেকর্ডের যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সরকার ব্যাঙ্কগুলির কাছে রোপা ২০০৯ সময়কালের সমস্ত পেনশন বিতরণের চূড়ান্ত ও বৈধ বিবরণ চেয়ে পাঠিয়েছে। ব্যাঙ্কগুলি এই তথ্য জমা দেওয়ার পর বাকি থাকা ৫০ শতাংশ ডিআর বকেয়া হিসাব করা হবে। তা প্রদানের প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী পরবর্তীতে আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাজ্য সরকার ঘোষণা করবে।
তারইমধ্যে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের কিছুটা বকেয়া মেটানো হলেও গ্র্যান্ট-ইন-এডের কর্মীদের বকেয়া মেটানোর ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেই সরকারের। বিগত সরকার ভোটের আগে এ ব্যাপারে নোটিশ জারি করে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আজও তা কার্যকর করল না। আমরা সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী অবিলম্বে গ্রান্ট-ইন-এইডের অধীন শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরকর্মী-সহ বিভিন্ন কর্মচারীদের বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


