'Original' TMC on Mamata-Abhishek: 'কে অভিষেক? যাকে চোরপিটুনি দিয়েছে?', তোপ ঋতব্রতের, মমতাকে পাঠালেন ‘রিটায়ারমেন্টে’
'Original' TMC on Mamata-Abhishek: 'কে অভিষেক? যাকে চোরপিটুনি দিয়েছে?', খোঁচা দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠালেন ‘রিটায়ারমেন্টে’। বিষয়টি নিয়ে ঋতব্রতদের নিশানা করেছেন কুণাল ঘোষ।
'Original' TMC on Mamata-Abhishek: ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নিউ টাউনে বিদ্রোহী নেতা ও বিধায়কদের বৈঠকের পরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘কে অভিষেক? যাকে লোকে চোরপিটুনি দিয়েছে? সময় নষ্ট করে লাভ নেই।’ সেইসঙ্গে ঘুরিয়ে তিনি বুঝিয়ে দেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘রিটায়ারমেন্টে’ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উপদেষ্টা হিসেবে তাঁকে ‘আসল’ তৃণমূলের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বলে দাবি করেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত।

জাতীয় কর্মসমিতিতে কারা কারা আছেন?
আর তিনি সেইসব মন্তব্য করেছেন ‘আসল’ তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের পরে। নিউ টাউনের একটি হোটেলে সেই বৈঠকে কর্মসমিতির (মোট ৩০ জন আছেন নবগঠিত কমিটিতে) চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়কে বেছে নেওয়া হয়েছে। সহ-সভাপতি হয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম এবং রথীন ঘোষ। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন চারজন - জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন আখরুজ্জামান।
কী কারণে বৈঠক? ব্যাখ্যা ঋতব্রতের
কেন সেই কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ঋতব্রত। তিনি জানিয়েছেন, তৃণমূলের যে সংবিধান আছে, সেটির ২০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে তিন বছর ছাড়া-ছাড়া জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করতে হবে। কিন্তু মমতারা শেষবার সেই কাজটা করেছিল ২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় জরুরি বৈঠক করে জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঋতব্রত। যিনি নিজেদের ‘তৃণমূল’ বলে দাবি করেছেন। 'আসল' বা 'নকল' বিতর্কেই যাননি।
সার্কাস, হাস্যকর, কটাক্ষ কুণাল ঘোষের
যদিও ঋতব্রতদের আক্রমণ শানিয়েছেন বেলেঘাটার তৃণমূল (আপাতত মমতার শিবিরে আছেন) বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ‘এটি একটি হাস্যকর নাটক। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত এক ব্যক্তি একটি বিশেষ অধিবেশন করছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন এবং আমাদের বিশ্বাস, ন্যায়বিচারই হবে। এ ধরনের হাস্যকর আচরণকে আমরা কোনও গুরুত্ব দিই না। তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; বাকি সবকিছুই সার্কাস।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


