Mamata on resgination: ‘পদত্যাগ করব কেন? আমাদেরই নৈতিক জয় হয়েছে’, দাবি ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতার
Mamata on resgination: রাজভবনে গিয়ে ইস্তফা দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন 'প্রাক্তন' মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি 'চেয়ারের কেয়ার' রাস্তায় নেমে লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি আর কী কী বললেন?
ক্ষমতাচ্যুত হলেও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না বলে জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে প্রশ্ন করা হয় যে রাজভবন গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দেবেন কিনা। সেটার জবাবে তিনি বলেন, ‘কেন, কীসের জন্য? আমরা তো হারিনি যে যাব। হারলে আমি যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে আমি রেজিগশনটা করতাম। এখন তো কোয়েশ্চেন ডাস নট অ্যারাইজ। জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমি গিয়ে রেজিগশনটা দিতে হবে - নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।’

‘ফ্রি বার্ড’ আমি, দাবি মমতার
তবে পদত্যাগ না করলেও তাঁর সরকার যে ক্ষমতা হারিয়েছে এবং তিনি মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন না, তা স্বীকার করে নিয়েছেন মমতা। তিনি দাবি করেছেন, এখন আর কোনও ‘চেয়ারে’ (মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সি) নেই তিনি। এখন ‘মুক্তপাখি’ (ফ্রি বার্ড) তিনি। তাই রাস্তায় থাকবেন বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি ইডির
মমতা আর কী কী বলেছেন?
১) তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, তৃণমূল হারেনি। ১০০টির বেশি আসনে লুট করা হয়েছে। আসল ভিলেন হল নির্বাচন কমিশন।
২) মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘আমার পেটে লাথি মেরেছে, আমার পিঠে লাথি মেরেছে।’ আর সেইসময় সিসিটিভি বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
৩) তৃণমূল সুপ্রিমো দাবি করেছেন, পক্ষপাতপুষ্ট হয়ে কাজ করেছে কমিশন। বিজেপি যদি 'এমনি' জিতত, তাহলে তাঁর বা তৃণমূল কোনও সমস্যা থাকত না। কারণ নির্বাচনে হার-জিতের ব্যাপার থাকে। কিন্তু এবার সেটা হয়নি। তৃণমূল হারেনি। বিজেপি লুট করেছে বলে অভিযোগ করেন মমতা।
৪) মমতা অভিযোগ করেন, ভোট-পরবর্তী হিংসার বিষয়ে ফ্যাক্ট-ফাইটিং কমিটি (তথ্য অনুসন্ধানকারী কমিটি) গঠন করা হবে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে ভোট-পরবর্তী হিংসার পরে বিজেপির তরফে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং টিম পাঠানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ভোটে হারতেই কালীঘাটে মমতার বাড়ির গলির সামনে থেকে সরল গার্ডরেল
৫) তৃণমূল সুপ্রিমো সিআরপিএফকে 'গুন্ডাবাহিনী' বলেও আক্রমণ করেছেন। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতি কোনও সম্মান অবশিষ্ট নেই বলে দাবি করেন মমতা। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘ধাক্কা দিয়ে মেরে-মেরে বের করে দিয়েছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


