অনেক জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে রণজয় বিষ্ণু এবং অনিন্দিতা বসু অভিনীত ছবি ঘুণ গাঁও। বেশ কিছুদিন ধরেই ছবির প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন সিনেমার সঙ্গে যুক্ত থাকা অভিনেতাও অভিনেত্রীরা। তবে ছবির প্রচার চলাকালীন কোথাও রণজয়ের সঙ্গে দেখা যায়নি শ্যামোপ্তিকে। ছবির প্রিমিয়ারেও অনুপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী।

তবে রিয়েল লাইফ স্ত্রী অনুপস্থিত থাকলেও রিল লাইফের স্ত্রীকে দেখতে পাওয়া গেল রণজয়ের ছবির প্রিমিয়ারে। নীল শাড়িতে সেজে বন্ধু রণজয়ের ছবির প্রিমিয়ারে হাজির হয়ে থাকতে দেখা গেল অভিকা মালাকারকে। তবে শুধুমাত্র অভিকা একা নন, এই দিন রণজয়ের অন স্ক্রিন বাবা অর্থাৎ অনিমেষও উপস্থিত ছিলেন ছবির প্রিমিয়ারে।
আরও পড়ুন: জুবিনের প্রিয় কলকাতায় এলেন গরিমা, শুরু হল ‘লাভ ইউ জুবিনদা’-র শ্যুটিং
খুব স্বাভাবিকভাবেই রণজয়ের ছবির প্রিমিয়ারে এই উপস্থিত এবং অনুপস্থিতির ব্যাপারটা ভীষণ ভালোভাবে লক্ষ্য করেছেন সকলে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যতই তারকা জুটি রাখঢাক করুন না কেন, কিছু কিছু ঘটনা যেন বারবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে রণজয়ের ব্যক্তিগত জীবন মোটেই সুখকর নয়।
যদিও অভিকার সঙ্গে রণজয়ের সম্পর্কের গুঞ্জন যতই ছড়াক না কেন এই বিষয় নিয়ে বারবার একটা কথাই বলতে শোনা গিয়েছে রণজয়কে, অভিকা শুধুমাত্র তার ভালো বন্ধু, একজন ভালো সহকর্মী। স্বামী স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করার জন্য ঠিক যা যা করা উচিত তিনি তাই করেন, এই ব্যাপার যদি অন্যভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় তাহলে তাঁর কিছু বলার নেই।
আরও পড়ুন: ‘উনি বিগ বসে থাকলে সারাদিন হাম্বা-রাম্বা করবেন…’, এবার স্যান্ডির নিশানায় এবার মমতা
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: ‘উনি বিগ বসে থাকলে সারাদিন হাম্বা-রাম্বা করবেন…’, এবার স্যান্ডির নিশানায় এবার মমতা
{{/usCountry}}ঘুণ গাঁও প্রসঙ্গে
এই ছবির পরিচালক সৌম্য রায় চৌধুরী। এই ছবিতে প্রথমবার জুটিতে ধরা দিয়েছেন রণজয় আর অনিন্দিতা। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন শঙ্কর দেবনাথ, রোহিনী চট্টোপাধ্যায়, সৌম্য মজুমদার, শুভ বিশ্বাস সহ আরও অনেকে। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ছবির পরিচালক।
সিনে ক্রেজি এন্টারটেইনমেন্টস প্রযোজিত ছবিটির প্রযোজক হীরা লাল রাওয়ানি, আমন চৌরাশিয়া এবং পার্থ সরকার। ছবির অন্ধকার ও রহস্যময় আবহকে আরও গভীরতা দিয়েছে তার সঙ্গীত। টুনাই দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গীত পরিচালনা এবং প্রমিত ঘোষের কথায় ছবির গানগুলিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সুনিধি চৌহান, তিমির বিশ্বাস, সায়ন্তনী ঘোষ এবং সৃষ্টি রাওয়ানি। ছবির আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে আরও তীব্র করে তুলতে সঙ্গীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।