এই মুহূর্তে জোয়ার ভাঁটা ধারাবাহিকে উজি ও ঋষির কেমিস্ট্রি একেবারে জমে ক্ষীর। দিদির অনুপস্থিতিতে কিছুটা বাধ্য হয়েই বিয়ে করে নিতে বাধ্য হল উজি। কিন্তু এরপর উজির জীবনে আসবে কতটা পরিবর্তন, স্বামীর জন্য কি দিদির বিরুদ্ধে যাবে উজি? সেই গল্প নিয়েই এগোবে ধারাবাহিক।

তবে ধারাবাহিকের গল্প মোটামুটি সবাই জানলেও ক্যামেরার পেছনে আরাত্রিকা ও অভিষেকের কেমিস্ট্রি- কেমন, সেটা বোঝা গেল সিটি সিনেমার পোস্ট করা একটি ভিডিও থেকে। ধারাবাহিককে একসঙ্গে কাজ করতে করতে এখন এই দুই তারকা একে অপরের ভীষণ ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছেন।
আরও পড়ুন: ছবি নয়, এবার সঙ্গীত পরিচালনা করবেন সৃজিত, কোন ছবিতে?
আরাত্রিকা এবং অভিষেক দুজনেই নিজেদের প্রেমপত্র নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন সাংবাদিকের সামনে। কে কটা প্রেমপত্র পেয়েছে জিজ্ঞাসা করতেই আরাত্রিকার হয়ে অভিষেক বলে ওঠেন, ‘ওতো বোধহয় ১ লাখ পেয়েছে।’ কথাটা শুনেই হাসতে হাসতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার নয় তোমার’।
এরপরেই আরাত্রিকা বলেন, ‘একটা সময় প্রায় রোজই প্রেমপত্র পেতাম। আমি ছোটবেলা থেকে কবিতা ভালবাসতাম তাই যারা আমাকে চিনত তারা কবিতায় প্রেমপত্র লিখে দিত। আমি সেগুলো নিয়ে সোজা বাবার কাছে যেতাম এবং বলতাম দেখো একদম কবিতা লিখতে পারে না।’
আরাত্রিকার কথা শেষ হতেই অভিষেক বলে ওঠেন, ‘তখন থেকেই ইমোশন নিয়ে খেলতো।’ এরপর আরাত্রিকা রেগে গিয়ে তাকাতেই অভিষেক বলেন, ‘মানে সবাইকে জাজ করতো।’ অভিষেকের কথায় সহমত পোষণ করে আরাত্রিকা বলেন, ‘হ্যাঁ সত্যিই আমি একটু জাজ করতাম তখন।’
{{/usCountry}}আরাত্রিকার কথা শেষ হতেই অভিষেক বলে ওঠেন, ‘তখন থেকেই ইমোশন নিয়ে খেলতো।’ এরপর আরাত্রিকা রেগে গিয়ে তাকাতেই অভিষেক বলেন, ‘মানে সবাইকে জাজ করতো।’ অভিষেকের কথায় সহমত পোষণ করে আরাত্রিকা বলেন, ‘হ্যাঁ সত্যিই আমি একটু জাজ করতাম তখন।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'কি যে ভুল করেছি... ', সাত সকালে কি ঘটে গেল অহনার বাড়িতে?
এরপর একটা মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন অভিষেক। স্কুল জীবনে এক বন্ধু একটি প্রেমপত্র পেয়েছিল যেটি নাকি হুবহু একটি এপ্লিকেশনের মতো দেখতে ছিল। একটি ফরমাল এপ্লিকেশন যেমন লেখা হয়, ঠিক তেমনভাবেই সেই প্রেমপত্র লেখা হয়েছিল। অভিষেকের মুখে এই কথা শুনে হাসতে শুরু করেন আরাত্রিকা।
প্রসঙ্গত, জোয়ার ভাঁটা ধারাবাহিকের নতুন প্রমোয় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে বিয়ের পর গ্রামের রাস্তা দিয়ে স্বামীর সঙ্গে যাচ্ছে উজি। গরুর গাড়িতে দুজনেই যখন ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ঠিক তখনই দেখা গেল গরুর গাড়ি চালাচ্ছে নিশা অর্থাৎ দিদি। কিন্তু গাড়ি দুর্ঘটনার পর কীভাবে নিশা বেঁচে গেল, কিভাবেই বা উজির কাছাকাছি এল সে? সবটাই জানা যাবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।