Ahona Dutta: প্রায় প্রত্যেকদিন কিছু না কিছু ছবি ভিডিও পোস্ট করে থাকেন অহনা দত্ত। ভোটের মরসুমেও তার অন্যথা হয়নি। সকাল সকাল স্বামীকে নিয়ে নির্দিষ্ট বুথে ভোট দিতে যান অহনা। বুথে গিয়ে ভোট দেন তো বটেই, কিন্তু সেখানে নাকি রীতিমতো চোখ রাঙিয়েও আসেন তিনি। কী হল এমন? কোনও সমস্যা নাকি? এই সব প্রশ্নের উত্তর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দিয়েছেন অহনা নিজেই।

অহনা বলেন, ‘অনেকেই আছেন যারা আজকে ভোট দেওয়ার জন্য নেল এক্সটেনশন করিয়েছেন। আমিও করিয়েছি। যে আমার নখে ভোটের কালি লাগাবেন তাকে আমি এত ভয় দেখিয়েছি। আমি বলেছি, এক ফোঁটাও কালি যেন আমার নখে না লাগে। যদি এক ফোঁটাও কালি আমার নখে লাগে তাহলে তোমার আজকে শেষ দিন। তিনি প্রচন্ড ভয়ে ভয়ে আমার নখে কালি লাগিয়েছেন।’
আরও পড়ুন: 'প্রথম হিরো যে আমায় অপমান করেছে...', রণজয়কে নিয়ে কেন এমন মন্তব্য অভিকার?
মজার এই ভিডিও যেমন পোস্ট করেছেন অহনা তেমন অন্যদিকে ভোট দিয়ে এসে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ছবি পোস্ট করেন দীপঙ্কর। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘ভালো কিছুর আশায়।’ এই ভাবেই মজায় মজায় ভোট পর্ব সারেন অহনা।
এই মুহূর্তে অহনা অভিনয় করছেন ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকে। ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ ধারাবাহিকের পর আবার তিনি এই ধারাবাহিকে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে সকলের নজর কেড়েছেন। মাঝে ‘সন্তান’ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, খুব সম্প্রতি দীপঙ্কর ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। সকলে সাময়িকভাবে চিন্তিত হয়ে পড়লেও পরে জানা যায় হঠাৎ করেই বুকে যন্ত্রণা শুরু হয়েছিল দীপঙ্করের। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে দীপঙ্করের চিকিৎসা শুরু হয়। সেদিনই তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই বাড়ি ফিরে আসেন।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, খুব সম্প্রতি দীপঙ্কর ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। সকলে সাময়িকভাবে চিন্তিত হয়ে পড়লেও পরে জানা যায় হঠাৎ করেই বুকে যন্ত্রণা শুরু হয়েছিল দীপঙ্করের। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে দীপঙ্করের চিকিৎসা শুরু হয়। সেদিনই তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই বাড়ি ফিরে আসেন।
{{/usCountry}}অহনা ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে যেমন সকলের মধ্যে জনপ্রিয়তা তৈরি করতে পেরেছিলেন তেমনই তিনি ওই ধারাবাহিকেই পেয়েছিলেন মনের মানুষ দীপঙ্করকে। কিন্তু ডিভোর্সি দীপঙ্করকে মেনে নিতে পারেননি অহনার মা ফলে মায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়ে যায় মেয়ের।
আরও পড়ুন: 'একবার দেখারও উপায় নেই...', ‘বিবি পায়রা’-র সাফল্যের মধ্যেও কেন মন খারাপ অর্জুনের?
ভালোবাসার হাত ধরে পরবর্তীকালে বাড়ি ছাড়েন অহনা। লিভ ইন করেন দেড় বছর। এরপর পরিবারের সকলের উপস্থিতিতে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে সারেন তিনি। তবে এই বিয়েতে অহনার বাড়ির কেউ উপস্থিত ছিলেন না, ছিলেন শুধুমাত্র ছেলের বাড়ির লোকেরাই।