এই প্রথম নয়, টলিপাড়ার একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা অনামিকা চক্রবর্তী একাধিকবার অভিযোগ করেছেন যে, নতুন কোনো কাজের সুযোগ আসছে না তাঁর কাছে। এর আগেও জানিয়েছিলেন যে, ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে ক্রমাগত প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে তাঁকে।

সম্প্রতি মিডিয়ার তরফে তাঁকে কাজের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, কোনো ভনিতা না করেই জবাব দেন, ‘কাজ আমার এখন নেই। কাজে আমাকে কেউ ডাকে না।’ সঙ্গে নিজের বক্তব্য জোড়েন, ‘আশা করি ভালো কিছু হবেই। জীবনে ওঠাপড়া তো থাকবেই।’
আরও পড়ুন: গুলমার্গের হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় গরম জলের পুলে ডুব সন্দীপ্তার! এই হোটেলে এক রাত কাটাতে কত খরচ পড়ে?
শেষ অনামিকাকে দেখা গিয়েছে মিঠিঝোরা ধারাবাহিকে। যেখানে খলনায়িকা চরিত্রে মাসখানেক দেখা মিলেছিল তাঁর। আপাতত টুকটাক ভ্লগিং করে থাকেন তিনি। কিছুদিন আগে এক পডাকস্টে এসে অনামিকা বলেছিলেন যে, ‘আমাকে ক্রমাগত ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমাকে দেখেই ওরা বলে মোটা হয়ে গিয়েছ। রোগা না হলে স্ক্রিনে ভাল লাগবে না। কারণ ওরা এটাই বিশ্বাস করতে চায়। যে রোগা মানেই সে সুন্দর। রোগা না হলে অভিনেত্রী হওয়া যায় না।’
ওজন নিয়ে ট্রোল অবশ্য কোনো নতুন ব্যাপার নয়! বলিউডে বিদ্যা বালন থেকে শুরু করে ঐশ্বর্যরাও ছাড়া পান না। বিদ্যা নিজেও জানিয়েছেন, বহুবার তাঁকে সিনেমার পরিচালকরা পরামর্শ দিয়েছেন ওজন কমানোর। এই কারণে হাতছাড়া হয়েছে অনেক কাজও।
আরও পড়ুন: ছোট পর্দার অন্যতম সফল জুটি, দেড় বছরে শেষ হল জি বাংলার মেগা! কাকে তাড়াল আমাদের দাদামণি?
১৬-১৭ বছর বয়সে ক্যামেরার সামনে আসেন অনামিকা প্রথম। জি বাংলার ‘রাজযোটক’ সিরিয়াল তাঁকে পৌঁছে দেয় খ্যাতির শীর্ষে। এরপর ‘এখানে আকাশ নীল’-এর হিয়া চরিত্রটি এনে দেয় হাজারও দর্শকের ভালোবাসা। তারপর বহু বছর ভালো কোনও চরিত্রে দেখা যায়নি টিভিতে। ফিরেছিলেন সান বাংলার ‘ফাগুনের মোহনা’ ধারাবাহিক দিয়ে। তাঁর ওয়েব সিরিজ ‘হোলি ফাক’-এর দুটো সিজনই ছিল হিট। অনামিকাকে দেখা গিয়েছিল ২০২৩-এর হিট ছবি ‘শহরের উষ্ণতম দিনে’-তেও।
কাজের পাশাপাশি অজকাল অনামিকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কম জলঘোলা হচ্ছে না। ২০২৩ সালের ২৮ জুন আংটি বদল আর রেজিস্ট্রি করে বিয়ে সেরেছিলেন উদয় প্রতাপ সিং-এর সঙ্গে। আজকাল হামেশাই শোনা যায় যে, দুজনের নাকি বিচ্ছেদ হচ্ছে। উদয় আর অনামিকা উভয়ই অবশ্য সে জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু গুঞ্জন আর থামার নাম নেয় না।