এবার ইন্দিরার মুখোমুখি স্নেহা, অন্নপূর্ণা কি পাবে বিচার?

তিন মেয়ের মা অন্নপূর্ণা একা হাতে সংসার চালালেও সে ভীষণ ভীতু এবং শান্ত স্বভাবের মানুষ। অন্নপূর্ণাকে তাই সব সময় বিপদে ফেলার জন্য বসে থাকে সকলে। কিছুদিন আগে ইন্দিরার থেকে কিছু টাকা ধার করেছিল অন্নপূর্ণা, যা চুরি হয়ে যায়।

Published on: Jul 26, 2026, 19:00:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

তিন মেয়ের মা অন্নপূর্ণা একা হাতে সংসার চালালেও সে ভীষণ ভীতু এবং শান্ত স্বভাবের মানুষ। অন্নপূর্ণাকে তাই সব সময় বিপদে ফেলার জন্য বসে থাকে সকলে। কিছুদিন আগে ইন্দিরার থেকে কিছু টাকা ধার করেছিল অন্নপূর্ণা, যা চুরি হয়ে যায়। কিন্তু একথা কাউকে বলতে পারেনি অন্নপূর্ণা। টাকা শোধ করার জন্য দুর্গাবতীর কাছ থেকেও টাকা ধার করতে বাধ্য হয় অন্নপূর্ণা।

এবার ইন্দিরার মুখোমুখি স্নেহা
এবার ইন্দিরার মুখোমুখি স্নেহা

অন্নপূর্ণার সঙ্গে ঘটে চলা এই ঘটনাগুলি অন্নপূর্ণার বড় মেয়ে জানলেও মেজো মেয়ে স্নেহা কিছুই জানে না। সে স্বভাবগতভাবে ভীষণ কঠিন তাই অন্নপূর্ণা ভয় পায় মেয়েকে কিছু জানাতে। বরাবর মেয়ের থেকে এইসব জিনিস লুকিয়ে রাখে অন্নপূর্ণা। কিন্তু এবার অন্নপূর্ণার সেই কথা ফাঁস হয়ে যায় স্নেহার কাছে।

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক পালা বদলে কাজে ফিরলেন ‘মেম বউ’ বিনীতা, কোন ছবিতে অভিনয় করবেন তিনি?

ইন্দিরা ছলে বলে কৌশলে অন্নপূর্ণার সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে করে নিয়েছে এ কথা জানতে পেরে যায় স্নেহা। প্রথমে সেই মায়ের ওপর রেগে যায় কিন্তু পরে তা দিদি বোঝায় যে এই সব কিছু ইন্দিরার কারসাজি। এরপর দুই বোনকে নিয়ে ইন্দিরা কাছে গিয়ে পৌঁছে স্নেহা।

আরও পড়ুন: হাসপাতালে ভর্তি তন্বী, হল অপারেশন, কী হয়েছে অভিনেত্রীর? এখন কেমন আছেন তিনি?

স্নেহার সামনে ইন্দিরা কিছুক্ষণ চিৎকার করলেও স্নেহা ধমক দিয়ে তাকে থামিয়ে দেয়। স্নেহা যেহেতু নিজে আইন ভালো করে জানে তাই সে জানে কি করে ইন্দিরাকে শায়েস্তা করতে হয়। স্নেহার পাশে এই যুদ্ধে থাকে তার দুই বোন। আগামী দিনে ইন্দিরা কে শায়েস্তা করতে স্নেহা ঠিক কি করবে সেটা জানার জন্য চোখ রাখতে হবে জি বাংলার পর্দায়।

‘অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা’ ধারাবাহিকে সোমা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনয় করছেন নাম ভূমিকায়। তিন মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন ঈপ্সিতা মুখোপাধ্যায়, স্বস্তিকা ঘোষ এবং প্রিয়দর্শিনী বসাক। এছাড়াও ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন সৌম্যদীপ মুখোপাধ্যায়।