Aratrika Maity: বয়স মাত্র ২০! ছোট পর্দা টপকে সৃজিতের সিনেমায়, টলিউডে কে আরাত্রিকার কম্পিটিশন? খোলসা করলেন নিজেই
মিঠিঝোরার-র শ্যুটিং চলাকালীনই আরাত্রিকা বড় পর্দাতেও কাজ করে ফেলেছেন। তাও আবার সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায়। তা কে এই মুহূর্তে আরাত্রিকার সবচেয়ে বড় কম্পিটিশন? অভিনেত্রী নিজেই দিলেন জবাব।
মাত্র তিনটি ধারাবাহিকে কাজ আরাত্রিকা মাইতির। তার মধ্যেই দর্শকদের নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন ছোট পর্দার এই নায়িকা। শুরুটা হয়েছিল ‘খেলনা বাড়ি’র মিতুল হয়ে। এরপর তাঁকে দেখা যায় ‘মিঠিঝোরা’-র রাইয়ের চরিত্রে। আপাতত আরাত্রিকা কাজ করছেন ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকে। সঙ্গে অবশ্য বড় পর্দাতেও কাজ করে ফেলেছেন। তাও আবার সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায়। তা কে এই মুহূর্তে আরাত্রিকার সবচেয়ে বড় কম্পিটিশন? অভিনেত্রী নিজেই দিলেন জবাব।

মঙ্গলবার একটি ছবি শেয়ার করে নেন আরাত্রিকা সোশ্যল মিডিয়াতে। যেখানে দেখা গেল হলুদ ব্লাউজের সঙ্গে, একটি সরু লাল পাড়ের ডার্কগ্রে রঙের শাড়ি পরে আছেন তিনি। সঙ্গে কানে সোনার ঝুমকো, হাতে সোনার বালা। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মুখে চওড়া হাসি, ফোটোর জন্য পোজ দিয়েছেন। একঢাল চুল খোলাই রেখেছেন। আর সেই ছবি শেয়ার করেই ক্যাপশনে আরাত্রিকা লিখেছেন, ‘আমি আমার কম্পিটিশনের সঙ্গে’।

ঝাড়গ্রামের মেয়ে আরাত্রিকা। ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ তাঁর। ক্লাস ফাইভ থেকেই অডিশন দিয়েছেন টলিগঞ্জে। মাধ্যমিকের আগে প্রথম সিরিয়ালে অভিনয়ের সুযোগ এসেছিল। ‘অগ্নিশিখা’ সিরিয়ালের মাধ্যমে তাঁর অভিনয়ে হাতেখড়ি, এরপর বড় ব্রেক পান জি বাংলার ‘খেলনা বাড়ি’ সিরিয়ালে।
আরও পড়ুন: এ তো অবিকল রণবীর কাপুর! জুহি চাওলার ভাইপোকে আলিয়ার বরের মতো দেখতে? ধন্দে নেটপাড়া
২০২৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন আরাত্রিকা। এরপর যোগমায়া দেবী কলেজে সাইকোলজিতে অনার্স নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। আপাতত কাজ করছেন জোয়ার ভাঁটা-তে। যেখানে দুই বোনের গল্প, উজি হিসেবে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। আর নিশার চরিত্রে রয়েছেন শ্রুতি দাস।
সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত আসন্ন বাংলা ছবি ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-তে দেখা যাবে আরাত্রিকা মাইতিকে। এই ছবিতে তিনি লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। দিব্যজ্যোতি দত্তকে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর চরিত্রে দেখা যাবে। ইতিমধ্যেই এই ছবির শ্যুটিং শেষ, ডাবিংও করে ফেলেছেন। আপাতত চলছে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ।
লহ গৌরাঙ্গের নাম রে ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আরাত্রিকা লিখেছিলেন, ‘আজ আমার প্রথম সিনেমা আমার স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপ ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-এর ডাবিং ছিল। সত্যি বলতে আমি আমার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারব না। আমি এখনও অঝোরে কেঁদে যাচ্ছি। ঝাড়গ্রামের সেই মেয়েটা যখন বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে কলকাতায় এসেছিল, নিজেকে যে বড় পর্দায় দেখবে সেটা কখনও ভাবেনি। শুটিং শেষ হয়ে গেল আজ অনেকদিন হলো। এতদিন এরকম কিছু হয়নি। কিন্তু আজ যখন ডাবিংয়ে গিয়ে নিজের গানের দৃশ্য একটি অভূতপূর্ব কীর্তন দেখলাম, অজান্তেই কখন যে চোখ থেকে জল পড়েছে বুঝতেই পারিনি। ’
E-Paper

