প্রতিবছর ধুমধাম করে লক্ষ্মীপুজো পালন করা হয় মহানায়ক উত্তম কুমারের বাড়িতে। বহু বছরের পুরনো এই পুজোয় যোগ দেন নামিদামি ব্যক্তিত্বরা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই পুজো করে আসছেন উত্তম কুমারের বাড়ির সদস্যরা। তবে এবারে এই পুজোয় রয়েছে একটি নতুনত্ব।

বাড়ির বড় নাতবৌ অর্থাৎ দেবলীনা পূজো নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জানান এই বছর মাকে একেবারে নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে। মা লক্ষ্মী আজ সকলের চোখে ‘হিরোইন’, তাই অভিনেত্রীর মতোই সাজানো হয়েছে মা লক্ষ্মীকে। এই বছর মা লক্ষ্মীকে পড়ানো হয়েছে কেরালা স্টাইলের গয়না।
আরও পড়ুন: 'প্রথম থেকে শেষ অবধি বুঝতে পারিনি...', শিবপ্রসাদের পরিচালনায় খুশি প্রসেনজিৎ?
তবে এই বছর ভোগের থালায় রয়েছে নতুনত্ব। খই, চিড়ে, মিষ্টি, পোলাও ছাড়াও এই বছর ভোগের থালায় রয়েছে রকমারি চিপস এবং কোলড্রিংস। কিন্তু ভোগের থালায় হঠাৎ করে এমন অন্যরকম খাবার কেন? কোন পুজোর ভোগের থালায় সচরাচর দেখতে পাওয়া যায় না এমন নিয়ম তাহলে হঠাৎ করেই মহানায়কের লক্ষ্মীপুজোয় এমন নিয়ম কেন তৈরি হল?
আরও পড়ুন: ‘দাদাগিরি’র সেটে ভূত? ভূতের মুখে দেব নাম! ‘হে ভগবান’, ভয়ে ভয়ে বললেন সঞ্চালক
এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেবলীনা বলেন, ‘আসলে আমরা সব সময় মনে করি, মা আমাদের সঙ্গে রাতে জেগে থাকেন। যেহেতু উনি সারারাত আমাদের সঙ্গে জাগেন তাই সারাদিন মিষ্টি, খই খাওয়ার পর রাতে একটু মুখরোচক কিছু ব্যবস্থা করা হয়। তাই আমরা কোল্ডড্রিঙ্কস আর চিপসের ব্যবস্থা রাখি। আমরা বিশ্বাস করি মা আমাদের সঙ্গেই থাকেন সবসময়।’
{{/usCountry}}এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেবলীনা বলেন, ‘আসলে আমরা সব সময় মনে করি, মা আমাদের সঙ্গে রাতে জেগে থাকেন। যেহেতু উনি সারারাত আমাদের সঙ্গে জাগেন তাই সারাদিন মিষ্টি, খই খাওয়ার পর রাতে একটু মুখরোচক কিছু ব্যবস্থা করা হয়। তাই আমরা কোল্ডড্রিঙ্কস আর চিপসের ব্যবস্থা রাখি। আমরা বিশ্বাস করি মা আমাদের সঙ্গেই থাকেন সবসময়।’
{{/usCountry}}এদিন উত্তম কুমারের বাড়িতে মা লক্ষ্মী সেজে উঠেছিলেন হলুদ রঙের শাড়িতে। প্রতিবছরের মতোই নিয়মমনিষ্ঠা ভরে পূজোর আয়োজন করা হচ্ছে। পুজোর জায়গা নিজের হাতেই সাজিয়েছেন দেবলীনা। এছাড়া দেবলীনার এক স্টুডেন্ট, যিনি ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি মা লক্ষ্মীর গয়নার দায়িত্ব নিয়েছেন। মাকে একেবারে অন্যরকম গয়নায় সাজিয়েছেন তিনি।