'ধুরন্ধর ২' ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি বক্স অফিসে খুব ভালো ব্যবসা করেছে। এটি প্রথম দিনেই ১০০ কোটি টাকা পার করে গিয়েছে। ধুরন্ধরের প্রশংসার মাঝে, প্রাক্তন সাংসদ তথা অভিনেত্রী রম্যা সিং রণবীর সিংয়ের ছবিটি নিয়ে মন্তব্য করলেন। তবে তা খুব একটা ইতিবাচক ছিল না। তিনি বলেন যে, প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি দেখে মানুষের টাকা ও সময় নষ্ট করা উচিত নয়। ছবিতে দেখানো সহিংসতার বিষয়েও রম্যা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: র্যাম্পে হেঁটে ট্রোলিংয়ের শিকার হার্দিকের প্রেমিকা মাহিকা! ‘থার্ড ক্লাস’ বললেন নেটিজেনরা
রম্যা তাঁর এক্স-হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লেখেন ‘এইমাত্র ধুরন্ধর ২ দেখলাম। সম্ভাবনাময় কোনও কিছুকে কীভাবে কঠিন পরীক্ষায় পরিণত করতে হয়, তার এক মাস্টারক্লাস। এটা অনেকটা এমন কোনও বিষয়ের পাঠ্যবই পড়ার মতো, যার অধ্যায় কখনও শেষ হয় না এবং একটা সময় আসে যখন আপনার মন হাল ছেড়ে দেয় আর চোখের সামনে ঘটে চলা ভয়াবহতার চরম হতাশায় আপনি অট্টহাসি হাসতে শুরু করেন।’
রম্যা আরও বলেন যে, ‘যদি আপনি সত্যিই এটা দেখতে চান, তবে প্রেক্ষাগৃহে এটা দেখে আপনার টাকা এবং সময় নষ্ট করবেন না।’ তিনি আরও বলেন যে, ধুরন্ধর এমন একটা কন্টেন্ট যা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে দেখাই সবচেয়ে ভালো, যেখানে আপনি এক ক্লিকেই এটা দেখে শেষ করতে পারবেন।'
আরও পড়ুন: 'ভয়াবহ পরিণতি হবে…', সরকে চুনরি নিয়ে পরিচালককে সতর্ক করেছিলেন গীতিকার!
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'ভয়াবহ পরিণতি হবে…', সরকে চুনরি নিয়ে পরিচালককে সতর্ক করেছিলেন গীতিকার!
{{/usCountry}}রম্যা বলেছেন যে ছবিটির পরিচালনা, সংলাপ, সম্পাদনা, আবহ সঙ্গীত এবং অভিনয়-সবই তার প্রত্যাশার চেয়ে নিম্নমানের ছিল। প্রথম পর্বের সঙ্গে তুলনা করে রম্যা লিখেছেন, 'ধুরান্ধর পার্ট ১'-এ দর্শকরা উল্লাস করছিল, হাততালি দিচ্ছিল এবং উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছিল। একটা আলাদা শক্তি ছিল। দর্শকরা এতে অংশ নিচ্ছিল। এই পর্বে দর্শকরা সেরকম কিছুই করছিল না। দর্শকদের মধ্যে প্রত্যেকের হতাশা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।'
রম্যা বললেন, ‘যারা বলছেন রণবীর একাই পুরো ছবিটা টেনে নিয়ে গিয়েছেন, তিনি আসলে কী করেছেন? কারণ আমি তো শুধু তাঁর চুলই দেখতে পেয়েছি। প্রথম পর্বে তাঁর চুলের একটা নিজস্ব ব্যক্তিত্ব, উপস্থিতি এবং চরিত্র ছিল। কিন্তু এই ছবিতে চুলগুলো শুধু ছিল।’
ছবিতে দেখানো সহিংসতার বিষয়ে রম্যা তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা কোনও ছবি নয় বরং সহিংসতাকে কতটা সৃজনশীলভাবে ব্যবহার করা যায়, তার একটি দৃশ্যগত নির্দেশিকা (এমন একটি নির্দেশিকা যার অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়)। মনে হচ্ছে, পরিচালক পরবর্তী দৃশ্যটিকে কতটা সহিংস্র বা হাস্যকর করে তুলতে পারেন, তা নিয়ে নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।’ শেষে তিনি লিখেছেন, ‘রণবীর, তুমি এর থেকে ভালো এবং আদিত্য ধর, প্রচারণার যুগ শেষ। এসব থেকে বেরিয়ে এসো।’